• ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮
  • ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৪
  • ৮ই জমাদিউস-সানি, ১৪৩৯

আগেভাগে শিশুর পোশাক

                         সাদা রঙের পোশাকও থাকবে

বাড়ির সবচেয়ে ছোট্ট যে মানুষ, তার ঈদের পোশাক কিনুন সবার আগে। তার খুশিতেই তো অন্যদের আনন্দ। শিশুদের ঈদ মানেই নতুন পোশাক, নতুন জুতা। বড়রা রান্নাবান্না আর অতিথি আপ্যায়নে ব্যস্ত থাকলেও, ঈদের আসল আনন্দ বাড়ির ছোটদেরই।
ফ্যাশন হাউসগুলো শিশুদের পোশাকের বৈচিত্র্যময় সম্ভার নিয়ে এরই মধ্যে তৈরি। ঈদ বাজারের অন্য দোকানগুলোতেও চলে এসেছে শিশুদের পোশাক-আশাক। ঈদে প্রচণ্ড গরম থাকবে। তাই সুতি, লিনেনের মতো আরামদায়ক কাপড়ের পোশাক প্রাধান্য পাচ্ছে সবখানেই। মেয়েদের জন্য সুতির টু-পিস, থ্রি-পিস, স্কার্ট-টপ এবং এক ছাঁটের ফ্রকের বড় সংগ্রহ এনেছে ফ্যাশন হাউস দেশাল। ছেলেদের জন্য চেক আর ডোরাকাটা হাফ হাতা শার্ট, পাঞ্জাবি ও ফতুয়া।
            িশশুদের জন্য এবার আরামের কাপড়ে রঙিন পোশাক। মডেল: তাহারাত, তাথৈ, সামি ও ফারিস। পোশাক: টেক্সমার্ট ও সেইলর, ছবি: খালেদ সরকার

ক্যাটস আইয়ের পরিচালক ও ডিজাইনার রুম্মাইলা সিদ্দিকী বলেন, এবার ঈদে শিশুদের পোশাক অনেকটাই আবহাওয়া উপযোগী করার চেষ্টা চলেছে। তবে সেটা চলতি ফ্যাশনধারা বাদ দিয়ে নয়। নানান নকশায় বেশ রঙিন হবে পোশাক। ছেলেদের পাঞ্জাবিতে এক ছাঁটই বেশি স্বচ্ছন্দ দেবে।
আরাম তো থাকবেই, তাই বলে ঈদের পোশাক একেবারে সাদামাটা হলে তো শিশুর মন ভরবে না। তাই আড়ং সুতির সঙ্গে সিল্ক, অ্যান্ডি সুতি, তসরের পোশাক তৈরি করেছে শিশুদের জন্য। জমকালো হাতের কাজ এবং অ্যাম্ব্রয়ডারি করা পাঞ্জাবি ও ফতুয়া আছে এবার। মেয়েদের সুতির লম্বা ফ্রকের পাশাপাশি প্রচলিত থ্রি-পিস ও লেহেঙ্গা রয়েছে।
সেইলরের প্রধান ডিজাইনার রেজাউল কবীর বলেন, শার্ট বা পলো বা টিশার্টে প্রাধান্য পাচ্ছে হাফ হাতা এবং নানা মোটিফের নকশা। পাঞ্জাবিতে ডিজিটাল প্রিন্ট ছাপা থাকবে। মেয়েদের ফ্রকে থাকবে লেয়ার প্যাটার্ন।
                  ফ্রকে লেসের ব্যবহার

অঞ্জনসের শীর্ষ নির্বাহী শাহীন আহম্মেদ বলেন, ঈদের পোশাক হিসেবে অ্যান্ডি সিল্ক, ভয়েল, লিনেন কাপড় শিশুদের জন্য আরামদায়ক।
গরমে শিশুদের প্রশান্তির কথা ভেবে গেঞ্জি কাপড়ের টপ, টি-শার্ট, প্যান্ট এনেছে লা রিভ। রঙের ক্ষেত্রে প্যাস্টেল শেডগুলো চোখে পড়ে বেশি। একটু ভারী সুতি কাপড়ের ওপর ফুলেল নকশার ফ্রক রয়েছে শিশুদের পোশাকের দোকান শৈশবে। হাফ হাতা অথবা হাতাকাটা ফ্রকগুলোর চাহিদা বছরজুড়েই থাকে।
এ ছাড়া অরণ্য, কে ক্র্যাফট, বেবি শপ, রঙ, গাঁওগেরাম এনেছে শিশুদের জন্য দেশি ঘরানার পোশাক। রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্ক, এলিফ্যান্ট রোড, মিরপুর শপিং কমপ্লেক্স, রাপা প্লাজা, মেট্রো শপিং মল, নিউমার্কেটসহ প্রায় সব বাজারেই শিশুদের ঈদের পোশাক মিলবে।

                  শার্ট, টি–শার্ট, প্যান্ট ছেলেদের জন্য থাকছেইদরদাম
শিশুদের ফ্রকের দাম ২৫০ থেকে ২০০০ টাকা, টু-পিস এবং থ্রি-পিসের দাম ৮০০ থেকে ৩০০০ টাকা, শার্টের দাম পড়বে ২০০ থেকে ১২০০ টাকা, পাঞ্জাবি রয়েছে ৬০০ থেকে ১৮০০ টাকা, হাফপ্যান্ট ও ফুলপ্যান্টের দাম ৩০০ থেকে ১৫০০ টাকা, ছেলেদের পাঞ্জাবির সঙ্গে আলাদা করে পাজামা বা ধুতি কিনতে চাইলে এর দাম পড়বে ২৫০ থেকে ১০০০ টাকা। তবে শোরুম ও কাপড়ের মানের জন্য দামের কিছুটা হেরফের হতে পারে।

Powered by Live Score & Live Score App