• ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮
  • ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৪
  • ৮ই জমাদিউস-সানি, ১৪৩৯

সাহিত্যের নিরলস সারথী শাহনাজ পারভীন শাহীন

বাংলা সাহিত্যে নারীদের অবদান অনেক। হয়তো সেখাবে লক্ষ্যনীয় না হলেও যারা বোদ্ধা তারা ঠিকই জানের বর্তমানে সাহিত্যের বিশাল অঙ্গন জুড়ে নারী লেখকদের প্রভাব রয়েছে। তেমনি এক সাহিত্যের নিরলস কর্মী শাহানাজ পারভীন শাহীন।

বাবা আব্দুল মান্নান ও মা ফাতেমা। ১৯৭৯ সালে কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী থানার বেতাল ( বড়বাড়ি) গ্রামে তার নানীর বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।

প্রাকৃতির নিবিড় নৈসর্গিক পল্লী মায়ের আঁচলে বেড়ে উঠে। সেই ছোটবেলা থেকেই গ্রামীণ জনপথের মায়া মমতায় জড়ানো কবির জীবনে আসে কাব্যিক ধ্যান-ধারনা আর আবহমান গ্রাম বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রতি এক গভীর প্রেম যা তাকে পরিণত করেছে সাহিত্যের নিরলস কর্মী হিসেবে। তিনি একাধারে কবি, গীতিকার ও গল্পকার।

স্বামী গিয়াস উদ্দিন সহকারী অধ্যাপক, একমাত্র ছেলে তকী তাজওয়ার শ্রেষ্ঠ। কবি ব্যক্তগত জীবনে কলেজের শিক্ষক। (প্রভাষক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি)। এতকিছুর পরও তার সাহিত্যপ্রেম তাকে করেছে এক মহীয়সী । সাহিত্যাঙ্গনে বাংলাদেশ ও ভারতে তার একটি সক্ষম অবস্থান রয়েছে তা তার সাহিত্য কর্ম থেকেই বুঝা যায়।

তিনি একজন দক্ষ সংগঠক। তিনি বাংলাদেশ ও ভারতের স্বনামধন্য রাইটারদের নিয়ে প্রতিষ্ঠিত করেছেন ‘‘সাহিত্য কথা’’নামে একটি অনলাইনভিত্তিক প্রগতিশীল। যেখানে পাক্ষিক সেরা কবিতা বাছাই করে লেখকদের উৎসাহ উদ্দীপনা সৃষ্টি করা হয়।

তিনিই বাংলা সাহিত্য জগতের প্রথম নারী সম্পাদক যিনি ‘‘স্বপ্ন দিগন্ত’’ নামে একটি কাব্যগ্রন্থে বাংলাদেশ ও ভারতের কয়েকশ লেখকদের এক মলাটে আবদ্ধ করেন।

এছাড়াও তিনি “সারস” ম্যাগজিনের নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন। তাছাড়াও তিনি অনলাইনভিত্তিক কয়েকটি সংগঠনের কমিটিতে থেকে লেখক পাঠক সৃষ্টিতে অনন্য অবদান রেখে যাচ্ছেন।

তার প্রকাশিত একক তিনটি কাব্যগ্রন্থ হলো-‘ ভালোবেসে’, ‘তুমিই পূর্ণিমা হবে’ ও ‘কথা কও’ সর্বজন নন্দিত।

এছাড়াও উল্লেখযোগ্য যৌথগ্রন্থ হলো-সমকালীন কবি ও কবিতা’, ‘ভালোবাসার সাত রং’, ‘সেতু’, ‘স্বপ্ন দিগন্ত’ ও ‘সপ্তরথী’ উল্লেখযোগ্য।

পাঠক সমাজের দাবি, এরকম একজন কলম সৈনিক দীর্ঘদিন বেঁচে থাক।

Powered by Live Score & Live Score App