
মালয়েশিয়ায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাংলাদেশি যুবকের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৫

মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনারের সঙ্গে আইইউএম শিক্ষার্থীরা
বাংলাদেশে সাত দিনের একাডেমিক সফর শেষে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মালদ্বীপের (আইইউএম) ১১ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মোহাম্মদ নাজমুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় তারা বাংলাদেশ সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
সোশ্যাল অন্ট্রাপ্রেনিওরশিপ এক্সপোজার প্রোগ্রাম (এসইইপি) ২০২৬-এর আওতায় ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মালদ্বীপের প্রতিনিধিদলটি গত সপ্তাহে সাত দিনের সফরে বাংলাদেশে যায়।
সফরের অংশ হিসেবে তারা গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) আতিথেয়তায় বিভিন্ন কর্মসূচি ও কার্যক্রমে অংশ নেয়।
এছাড়া তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, লালবাগ কেল্লা, ইউনূস সেন্টার ও নোবেল মিউজিয়ামসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শনের পাশাপাশি সামাজিক ব্যবসা ও টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে একাধিক একাডেমিক সেশনেও অংশ নেন।
এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আনুষ্ঠানিক একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি বাংলাদেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি, নগরজীবন ও সামাজিক পরিবেশ সম্পর্কেও ধারণা লাভ করেন।
দেশে ফিরে প্রতিনিধিদলটি গত মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাজধানী মালে বাংলাদেশ হাইকমিশনের চ্যান্সারি ভবনে হাইকমিশনার ড. মোহাম্মদ নাজমুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তারা বাংলাদেশের মানুষের আতিথেয়তা, খাবার, সংস্কৃতি ও সামাজিক উদ্যোক্তা এবং বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রশংসা করেন।
অন্যদিকে হাইকমিশনার ড. মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম শিক্ষার্থীদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান এবং বাংলাদেশ সফরের অভিজ্ঞতা তাদের সহপাঠী, বন্ধু ও বৃহত্তর মালদ্বীপের সমাজের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানান।
এছাড়া হাইকমিশনার মালদ্বীপ শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশ সফর এবং একাডেমিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য তাদের প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে নিয়মিত একাডেমিক ও শিক্ষাবিনিময় দুই দেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করতে পারে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং একে অপরের সমাজ ও সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীরতর বোঝাপড়া তৈরিতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
হাইকমিশনার এ ধরনের বিনিময় কর্মসূচি নিয়মিতভাবে আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এতে দুই দেশের আরও বেশি শিক্ষার্থী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন।
সবশেষে হাইকমিশনার ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মালদ্বীপকে এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য ধন্যবাদ জানান। একইসঙ্গে প্রতিনিধিদলকে আতিথেয়তা প্রদান এবং একাডেমিক শিক্ষা, সামাজিক উদ্যোক্তা কার্যক্রম, সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা ও প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগের সমন্বয়ে একটি সমৃদ্ধ কর্মসূচি আয়োজনের জন্য ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, একাডেমিক বিনিময় শুধু জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ নয়,এটি দুই দেশের তরুণদের মধ্যে বন্ধুত্ব, পারস্পরিক বোঝাপড়া ও দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তোলারও কার্যকর মাধ্যম।