
সিলেটে হাসপাতালে নবজাতকের মৃত্যু, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে স্বজনদের ক্ষোভ
হাসান ওয়ালী
প্রকাশ: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪:৫০

গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তির প্রতীকী ছবি
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের করা চুক্তির ৩০ বছরের মেয়াদ শেষ হচ্ছে চলতি বছরের ডিসেম্বরে।
নতুন চুক্তি ঘিরে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা ও পানির ন্যায্য হিস্যার প্রসঙ্গ সামনে আসছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের স্বার্থবিরোধী গঙ্গা চুক্তির খেসারত দিতে হয়েছে বহু বছর। ফলে এবারের চুক্তিতে ১৯৭৭ সালের গ্যারান্টি ক্লজ ফেরানোর কোনো বিকল্প নেই।
একইসঙ্গে বাংলাদেশের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক চাইলে পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতে ভারতকে সদিচ্ছা প্রদর্শনের তাগিদ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
এরই মধ্যে পানি বণ্টনে সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ একটি কমিটি গঠন করেছে। ভারতের প্রতিনিধিদেরও নাম চাওয়া হয়েছে।
ভারতের একতরফা জলকপাট রাজনীতিতে বছরের পর বছর ধরে বাংলাদেশ বিপর্যস্ত। বর্ষা মৌসুমে অথৈ পানি আর শুষ্ক মৌসুমে খরায় দিশেহারা কৃষক। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জীববৈচিত্র্যও। এমন বাস্তরতায় ১২ ডিসেম্বর শেষ হচ্ছে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ।
এ ব্যাপারে রিভারাইন পিপলের পরিচালক ড. তুহিন ওয়াদুদ বলছেন, ন্যায্য হিস্যার ভিত্তিতে এবার চুক্তি করতে হবে বাংলাদেশকে। চুক্তি ভঙ্গ হলে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে তাও উল্লেখ থাকতে হবে চুক্তিপত্রে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক আকমল হোসেন বলছেন, ১৯৯৬ সালের চুক্তি ছিল দেশের স্বার্থবিরোধী। তবে পানির ন্যায্য হিস্যায় শুধু গ্যারান্টি ক্লজও যথেষ্ট নয়। বরং ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক চাইলে ভারতকে ইতিবাচক মনোভাব প্রদর্শনের তাগিদও দিয়েছেন এই বিশ্লেষক।