
দেশের স্বার্থে কোনো ছাড় নয়: টুকু
প্রতিবেদক, মৌলভীবাজার
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১৩:৪১

মৌলভীবাজারের পশ্চিম বাজারের সাতটি আড়তে বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৭০ লাখ টাকার মাছ বেচাকেনা হচ্ছে।
মৌলভীবাজারের বিভিন্ন হাওড়-বিল ও উন্মুক্ত জলাশয়ের পানি কমতে শুরু করায় স্থানীয় বাজারে দেশি ও চাষের মাছের সরবরাহ বেশ বেড়েছে। ফলে জেলার আড়তগুলোতে এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রকারভেদে বড় মাছের দাম কেজিতে ৪০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে জেলা শহরের প্রধান পাইকারি বাজার পশ্চিম বাজারের মাছের আড়ত ঘুরে দেখা যায়, ভোর থেকেই নদী ও হাওড় থেকে সংগৃহীত দেশি মাছের পাশাপাশি চাষের মাছের বিপুল জোগান এসেছে। সরবরাহ বাড়ায় বেচাকেনাও জমে উঠেছে।
আড়তে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতারা জানান, আকারভেদে রুই, কাতলা, মৃগেল, কার্প ও গ্রাস কার্প-জাতীয় মাছ এখন প্রতি কেজি ১৮০ টাকা থেকে শুরু করে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে–যা গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিপ্রতি অন্তত ৫০ টাকা কম।
বড় মাছের পাশাপাশি আড়তগুলোতে টেংরা, পুঁটি, কাচকি ও সিংয়ের মতো স্থানীয় প্রজাতির দেশি ছোট মাছের সরবরাহও চোখে পড়ার মতো। বাজারে আকারভেদে পুঁটি মাছ প্রতি কেজি ২০০ থেকে ২৫০ টাকা এবং ছোট গুঁড়ো পুঁটি ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া টেংরা ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, কাচকি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, ছোট চিংড়ি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, চাষের শিং ২০০ থেকে ২৫০ টাকা এবং দেশি ভেদা (মেনী) মাছ কেজিপ্রতি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় কেনাবেচা হচ্ছে।
পশ্চিম বাজারের মাছ ব্যবসায়ী আবদুল করিম জানান, পানির গভীরতা যত কমবে, হাওড় থেকে মাছ ধরার পরিমাণ তত বাড়বে। মৌলভীবাজারের পশ্চিম বাজারের সাতটি আড়তে বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৭০ লাখ টাকার মাছ বেচাকেনা হচ্ছে।
স্থানীয় আড়তদাররা জানান, আগামী দিনগুলোতে হাওড় ও অন্যান্য উন্মুক্ত জলাশয়ের পানি আরও কমে এলে বাজারে দেশি মাছের সরবরাহ আরও বৃদ্ধি পাবে। এতে সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে আসবে মাছের দাম।