
সেতুর কাজ ফেলে উধাও ঠিকাদার, ভোগান্তি বাড়ছে সাঁকোয়
প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশ: রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১৪:৪৯

গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে বাড়ির দেয়াল ধসে পড়ে। ছবি: সংগৃহীত
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা ও কাঁচপুরে অগ্নিকাণ্ড ও গ্যাসের সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের পৃথক তিনটি ঘটনায় ৯ জন দগ্ধ হয়েছেন।
দগ্ধদের রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, শনিবার (১০ অক্টোবর) রাতে ফতুল্লায় কেমিক্যালের একটি গুদামে আগুন লেগে আনোয়ার ও শামসুল নামে দুই শ্রমিক দগ্ধ হন।
রোববার (১১ অক্টোবর) ভোরে সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুরে একটি বাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে শরিফ, তার স্ত্রী রোজিনা, ছোট ভাই রিয়াজ ও রনি নামে একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হন।
এছাড়া রোববার সকালে শহরের দেওভোগ আখড়া এলাকায় একটি বাড়ির রান্নাঘরে গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে শিখা রানী, মনা আচার্য ও তার মা দগ্ধ হন।
ফতুল্লায় কেমিক্যালের গুদামে এবং দেওভোগে বাড়িতে গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে বাড়ির দেয়াল ও দরজা জানালা ধ্বসে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ঘরের যাবতীয় আসবাবপত্র।
পরে তিন ঘটনায় দগ্ধ নয়জনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠান। তাদের সবার শরীরের বিভিন্ন স্থান পুড়ে ঝলসে যায়।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন জানান, কাঁচপুর, ফতুল্লা ও দেওভোগের ঘটনায় মোট নয়জন দগ্ধ হয়েছেন। তিন ঘটনায় দগ্ধ নয়জনকেই উদ্ধার করে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা ও কর্মীরা তিনটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ঘটনাগুলোর কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছ।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ জানান, ফতুল্লায় বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ দুইজনের শরীরে ৫৪ ও ৫৫ শতাংশ এবং কাঁচপুরের ঘটনায় চারজনের শরীরে ৪০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ঝলসে গেছে।
এতে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের এই চিকিৎসক।