
সিলেটে মুহূর্তেই উধাও ট্রেনের টিকিট, তদন্তে পিবিআই
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৫

ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। বুধবার (৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তি অনুযায়ী, ২০৩৩ সাল নাগাদ প্রথম উড়োজাহাজ এবং পরবর্তীতে ধাপে ধাপে ২০৩৬ ও ২০৩৭ সাল পর্যন্ত এয়ারবাস বিমানের বহরে যুক্ত হবে। প্রস্তাবিত এই চুক্তির আওতায় চারটি দূরপাল্লার আর ছয়টি আঞ্চলিক রুটের উড়োজাহাজ দেবে এয়ারবাস। নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে বিমানের বহর সংখ্যা দাঁড়াবে ৫৪ তে। বর্তমানে আছে ১৯টি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, এয়ারবাস ইন্ডিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউর্গেন ওয়েস্টারমেয়ারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
এ সময় এয়ারবাস ইন্ডিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি গড়ার পরিকল্পনায় এয়ারবাস অবদান রাখবে। এয়ারবাসে আধুনিক জেনারেশন প্রযুক্তি থাকায় ঝামেলাহীন ও ঝুঁকিমুক্ত ফ্লাইট পরিচালনা করা সম্ভব হবে।’
বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বে বাংলাদেশ বিমানকে আধুনিক, প্রতিযোগী ও নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এভিয়েশন খাতে বিমানকে অন্যতম সেরা আকাশ পরিবহন ব্যবস্থা হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।’
চুক্তি অনুযায়ী ২০৩৩ সাল নাগাদ এয়ারবাসের প্রথম উড়োজাহাজ সরবরাহ করার কথা থাকলেও চলতি বছরের মধ্যে একটি উড়োজাহাজ সরবরাহের অনুরোধও জানান রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, ‘শুধু যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইউরোপীয় ইউনিয়ন নয়, বাংলাদেশ সরকার ব্যবসায়িক স্বার্থে সবার সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে এগোবে।’
এয়ারবাসের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশের চুক্তি দেশের এভিয়েশনখাতে একটি মাইলফলক উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘শুধু বন্ধুত্বের খাতিরে নয়, দেশের স্বার্থেই এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। অর্থনৈতিক খাতের অগ্রগতির জন্য যা যা করা দরকার বর্তমান সরকার করবে।’