
বর্তমান সরকার সংখ্যালঘু শব্দে বিশ্বাস করে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
প্রতিবেদক, পটুয়াখালী
প্রকাশ: শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:২৫

মরদেহ উদ্ধারের স্থানে পুলিশ ও স্থানীয় জনতা। ছবি: সংগৃহীত
পটুয়াখালীর নির্মাণাধীন রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) প্রধান ফটকের সামনে থেকে আব্বাস সিকদার (২৫) নামে এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দুই দিন ধরে তিনি বাড়িতে ছিলেন না বলে জানিয়েছে পরিবার। তার মৃত্যু ঘিরে তৈরি হয়েছে রহস্য।
স্বজনদের অভিযোগ, পূর্ববিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত ২টার দিকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নে ইপিজেডের প্রধান ফটকসংলগ্ন মহাসড়কের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় একটি মারামারির ঘটনার পর গত দুই দিন ধরে বাড়িতে ছিলেন না আব্বাস। শুক্রবার রাতে এক অটোরিকশাচালক তার চাচা শাহজালালকে ফোন করে জানান, ইপিজেডের সামনে আব্বাস অসুস্থ অবস্থায় পড়ে আছেন। খবর পেয়ে স্বজনরা সেখানে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।
আব্বাসের মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে। তাদের কারও কারও ধারণা, মারধরের শিকার হয়ে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে জানা যেতে পারে।
মৃত আব্বাস সিকদার পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পচাকোড়ালিয়া গ্রামের মো. রফিক সিকদারের ছেলে। তিনি আগে কলেজে পড়াশোনা করলেও বর্তমানে কোনো পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না বলে জানা গেছে।
ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় পূর্ববিরোধের বিষয়টি সামনে এনেছেন তার বাবা রফিক সিকদার। তিনি বলেন, ‘আমি এলাকায় মেম্বারি নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। ফেসবুকে এর পোস্টার ছাড়তেই শত্রুতা বেড়ে গেছে। তাই এলাকায় একটা মহলের সাথে ওর দ্বন্দ্ব ছিল। পরিকল্পিত এ ঘটনায় আমি জড়িতদের বিচার চাই।’
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’