
সুনামগঞ্জে মাদক নিয়ে সংবাদ করায় সাংবাদিককে কুপিয়ে জখম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৬:২৫

ফাইল ছবি
মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় ঢাকা নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ. বিন আবিয়াকে ডেকে কারণ জানতে চেয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
রোববার (১৮ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে দেশটির কর্তৃপক্ষ। সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতির বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম ‘আজেল নিউজ’ এ তথ্য জানিয়েছে।
মসজিদে ‘অনৈতিক কর্মকাণ্ডের’ অভিযোগে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানতে চায় বাংলাদেশ সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ. বিন আবিয়াকে ডেকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কারণ জানতে চেয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এর আগে এ ঘটনায় বিস্তারিত জানতে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির বিরুদ্ধে অভিযোগ ও বিচারপ্রক্রিয়ার পূর্ণাঙ্গ তথ্য সরকারের হাতে ছিল না বলে জানিয়েছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
ওই সময় প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে এ বিষয়ে কিছুই জানত না বাংলাদেশ সরকার।
সৌদি আরবের নিজস্ব আইন ও বিচারিক কাঠামো রয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেছিলেন, দেশটিতে আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় বাংলাদেশের করণীয় অনেক ক্ষেত্রে সীমিত থাকে।
এ ঘটনাকে প্রবাসীদের জন্য বড় শিক্ষা উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন মেনে চলার আহ্বানও জানান তিনি।
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশি হলেন-নজরুল ইসলাম আবদুল বশীর ও সিথি আক্তার।
এর আগে সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মসজিদের ভেতরে ‘অনৈতিক কাজে’ লিপ্ত থাকার অভিযোগে নিরাপত্তা বাহিনী তাদের আটক করে। পরে তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ আনা হয়। বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত তাদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন। বিবৃতিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে রায় চূড়ান্ত হওয়ার পর তা কার্যকর করা হয়।
তবে কী ধরনের কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বিস্তারিত জানানো হয়নি। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পবিত্র স্থান ও মসজিদগুলোর নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং ইসলামি আইন বাস্তবায়নে সৌদি সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পবিত্র স্থানের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা বা সেখানে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে মন্ত্রণালয়।