
ডেঙ্গু প্রতিরোধে পাড়া-মহল্লায় মাইকিং ও খুতবায় সচেতনতার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৪:২৫

গুলশান থানা। সংগৃহীত ছবি
রাজধানীর গুলশানে বর্জ্য অপসারণের কাজ করতে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে শীর্ষ সন্ত্রাসী রবিন-ডালিম-মাহবুব গ্রুপের বিরুদ্ধে। চাঁদা না পেয়ে গুলশান সোসাইটির কার্যালয়ে ঢুকে অস্ত্রের মুখে প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার অভিযোগও উঠেছে। এ ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গত মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল ৩টা ২২ মিনিটে গুলশানে ১৩০ নম্বর রোডে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশায় করে আসেন চারজন। রিকশা থেকে নেমে সবাই মিলে কথা বলেন। পায়ে হেঁটে এগিয়ে আবারও রিকশায় উঠে ১০৩ ও ৪ নম্বর রোডে এসে মিলিত হন তারা, আবারও করেন আলোচনা। এবার তিনজন প্রবেশ করেন গুলশান সোসাইটির অফিসে। কিছুক্ষণ পর বেরিয়ে আসেন সবাই।
গুলশান সোসাইটির পক্ষ থেকে থানায় মামলা করা হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয়, গুলশান সোসাইটির বর্জ্য অপসারণের কাজ করতে শীর্ষ সন্ত্রাসী রবিন-ডালিম-মাহবুব গ্রুপের পরিচয়ে গত সেপ্টেম্বর থেকে হুমকি দেয়া হচ্ছে তাদের। ৫০ লাখ টাকা চাঁদা না দেয়ায় অফিসে অস্ত্র দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন তারা।
শুধু হুমকি দিয়েই থেমে থাকেনি অভিযুক্তরা। এবার রুবি এন্টারপ্রাইজ নামের নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের লিফলেট বিলি করা হয়েছে গুলশানের বিভিন্ন বাসায়। বর্জ্য অপসারণ করেছে দাবি করে টাকাও চাওয়া হয়।
গুলশানের বর্জ্য অপসারণ নিয়ে খোঁজ নিতে যাওয়া হয় উত্তর সিটি করপোরেশনে। প্রধান বর্জ্য কর্মকর্তা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকেই গুলশানের গৃহস্থালির বর্জ্যের কাজ দেয়া হয়েছে গুলশান সোসাইটিকেই।
অনুমতি থাকার পরও গুলশানের মতো কূটনৈতিক এলাকায় চাঁদা দাবির ঘটনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্তে নামে পুলিশ। গুলশানের বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা হয় তিনজনকে। পরে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয় তাদের।
এমন ঘটনার পর গুলশান সোসাইটির অফিসে বসানো হয়েছে পুলিশি পাহারা।