
ফরিদপুরে বাস-অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৩ জনের
বগুড়া ব্যুরো
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৬:৩০

সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত সাহেদের মরদেহ বগুড়ার গ্রামের বাড়িতে পৌঁছানোর পর স্বজনদের আহাজারি। ছবি: সময় সংবাদ
সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি সাহেদ আহমেদ আশিকের (৩৫) মরদেহ ঢাকা থেকে বগুড়ায় তার গ্রামের বাড়িতে এসে পৌঁছেছে। মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজনরা। পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর ২টা ২৩ মিনিটে লাশবাহী গাড়িতে করে মরদেহ বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামে নিয়ে আসা হয়। এ সময় মরদেহের সঙ্গে ছিলেন নিহতের স্ত্রী কাকলী বেগম ও তাঁদের দুই সন্তান।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে স্থানীয় উচ্চবিদ্যালয় মাঠে সাহেদের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বাড়ির উঠানে দাদার কবরের পাশে তাকে দাফন করার জন্য ইতিমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
নিহত সাহেদের খালাতো ভাই মাসুম রানা জানান, গত ১০ অক্টোবর সৌদি আরবের স্থানীয় সময় বিকেল পাঁচটার দিকে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান সাহেদ। সেখানে নেমে স্ত্রী কাকলী বেগমের সঙ্গে মুঠোফোনে শেষবারের মতো কথাও বলেন তিনি। এর কিছুক্ষণ পরেই বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৩ এলাকায় একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এতে অন্যান্যদের সঙ্গে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান সাহেদ। শুক্রবার সকালে বিমানবন্দর থেকে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ গ্রহণ করে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন।
স্বজনরা জানান, সাহেদের বাবা রফিকুল ইসলামও দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে প্রবাস জীবন কাটাচ্ছেন। ঘটনার সময় সাহেদের মা শাহেরা বেগম ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবে অবস্থান করছিলেন। তবে চার দিন আগে তিনি দেশে ফিরে গ্রামের বাড়িতে পৌঁছান।
পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন সাহেদ। তাকে হারিয়ে দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন স্ত্রী কাকলী বেগম। প্রিয় মানুষটিকে শেষ বিদায় জানাতে বাড়িতে ভিড় করছেন স্বজন ও গ্রামবাসী।