
গণমাধ্যম এখন সবচেয়ে বেশি স্বাধীনতা ভোগ করছে: জুবায়ের বাবু
প্রতিবেদক, টাঙ্গাইল
প্রকাশ: শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:৪৫

কালভার্টে বাঁশের ব্যবহারে বয়ে যায় সমালোচনার ঝড়। ছবি: সংগৃহীত
টাঙ্গাইল শহরের ঐতিহ্যবাহী শ্যামা বাবু খালের উপর নির্মিত কালভার্টের সাটারিং এ কাঠের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার করার কারনে ঢালাইয়ের সময় ধসে যায়। এ ঘটনায় অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগকৃত কার্যসহকারি মো. আব্দুল আওয়ালকে চাকরিচ্যুত ও সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. নাজমুল হাসানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। এ ঘটনাটি জেলা জুড়ে আবারও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
এ ঘটনায় শনিবার (১৭ অক্টোবর) গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী শম্ভুরাম পালকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমান। কমিটির সদস্য সচিব এলজিইজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী শাহনাজ পারভীন ও সদস্য করা হয়েছে জনস্বাস্থ্যের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাইসুল ইসলামকে। কমিটিকে তিন কার্য দিবসের মধ্যে তদন্তের প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
জানা যায়, ১৩ লাখ ৮৮ হাজার ৫৫৪ টাকা ব্যয়ে খালের উপর কালভার্ট নির্মানের জন্য এফ এ ট্রেডার্স নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেয় টাঙ্গাইল পৌরসভা। নির্মিত কালভার্টের সাটারিং কাঠের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহার করে ঢালাই করার সময় গত বুধবার ধ্বসে যায় সাটারিং। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা শুরু হলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হয়। তাৎক্ষণিক ভাবে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য পৌর প্রশাসককে নির্দেশ দেন। এর পর টাঙ্গাইল পৌরসভা থেকে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। এছাড়াও কার্যসহকারীকে চাকরিচ্যুত ও সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে।
টাঙ্গাইল পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান রেজাউল করিম বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন দিলে মূল বিষয়টি জানা যাবে।
টাঙ্গাইল পৌরসভার প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলেন। এর পর পরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তাৎক্ষনিক কাজ বন্ধ করা হয়েছে। নতুনে সাটারিং করে কাজ করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।