
সিলেটে মুহূর্তেই উধাও ট্রেনের টিকিট, তদন্তে পিবিআই
প্রতিবেদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩:৩২

সুনামগঞ্জে ২৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিচ্ছেন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল একেএম জাকারিয়া কাদির / সময়
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা সদরের অডিটোরিয়ামে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সবাই বাকস্বাধীনতায় বিশ্বাস করি। কিন্তু এই বাকস্বাধীনতার নামে একটি বিরোধী মহল দেশে অপপ্রচার ও মিথ্যাচার চালাচ্ছে। দেশকে অস্থিতিশীল করতে তারা আওয়ামী সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোপনে সহযোগিতা করছে। আবার তারাই প্রচার করছে দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য নাকি সরকার দায়ী। এর চেয়ে ডাহা মিথ্যা আর কিছু হতে পারে না।’
জামায়াতের সেক্রেটারির বক্তব্যের সমালোচনা করে আমিনুল হক বলেন, ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ আমাদের সংসদ সদস্যরা যখন দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করছেন, তখন জামায়াতের সেক্রেটারি বলছেন দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার মাধ্যমে আমরা নাকি এই কাজ করছি। আপনাদের আচার-আচরণ ও কথাবার্তার মাধ্যমেই স্পষ্ট হয়ে গেছে আপনারা গুপ্ত। দেশের মানুষ এখন অনেক সচেতন। নির্বাচনের আগে আপনারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে জান্নাতের টিকিট বিক্রি করেছেন। যখন দেখেছেন টিকিট খুব একটা বিক্রি হচ্ছে না, তখন ভিন্ন পন্থা বেছে নিয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের এই বিরোধী দল, সংসদে যাদের একরকম রূপ দেখা যায় কিন্তু বাইরে এসে আরেক রূপ দেখি—তারা দেশের জনগণের সঙ্গে আবারও প্রতারণা শুরু করেছে। বিভিন্ন স্থানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য তারা আওয়ামী দোসরদের সঙ্গে একত্রিত হয়ে দেশকে অস্থিতিশীল ও বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।’
নাসিরনগরবাসীর মাধ্যমে সারা দেশের মানুষের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত স্বৈরাচার সরকারের মতো বর্তমান সরকার শুধু নিজেদের উন্নয়ন করতে ক্ষমতায় আসেনি। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সত্যিকার অর্থেই দেশের মানুষের উন্নয়ন ও কল্যাণ চান। আমি দৃঢ়ভাবে বলতে পারি, আগামী পাঁচ বছর পর বাংলাদেশের চিত্র বদলে যাবে এবং আমরা একটি সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হব।’
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য এম এ হান্নান, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নাদিয়া পাঠান পাপন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ এবং জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদসহ স্থানীয় প্রশাসন ও বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।