
সুনামগঞ্জে মাদক নিয়ে সংবাদ করায় সাংবাদিককে কুপিয়ে জখম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩:৪৩

শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ার রেললাইন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে যান ইশরাক হোসেন।
মাদকবিরোধী অভিযানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ও তার সহযোগীদের আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের বিষয়ে পুলিশ অবগত বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান শফিকুল ইসলাম।
রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রতিমন্ত্রী ও তার সহযোগীদের অস্ত্রের ব্যবহার বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনারকে জানানো হয়েছে। তদন্ত করে আইনের ব্যত্যয় ঘটেছে কি না তা দেখা হচ্ছে। তদন্তে আইনের ব্যত্যয় পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এর আগে শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ার রেললাইন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচি ও লাইসেন্সকৃত অস্ত্র বহনের প্রেক্ষাপট নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে তিনি দাবি করেছেন, একটি স্পর্শকাতর ঘটনার মাত্র কয়েক সেকেন্ডের দৃশ্যকে কেন্দ্র করে প্রচারিত ভিডিও, ফটোকার্ড ও খণ্ডিত শিরোনাম সামগ্রিক প্রেক্ষাপটকে মূল্যায়ন করে না। প্রতিমন্ত্রীর ভূমিকা ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে জনমনে পরিকল্পিত বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
বিবৃতিতে পুরো ঘটনার বিবরণ দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, সুনির্দিষ্ট হামলার আশঙ্কা এবং জানমালের নিরাপত্তায় তিনি এবং তার সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা গাড়ি থেকে নেমে অত্যন্ত স্বল্প সময়ের জন্য আত্মরক্ষার্থে অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেছিলেন। সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি নস্যাৎ হওয়ার পরপরই অস্ত্রটি যথাস্থানে রাখা হয়। উক্ত আগ্নেয়াস্ত্রটি যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং এর প্রদর্শনী কেবলই আত্মরক্ষার স্বার্থে আইনি কাঠামোর মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের 'জিরো টলারেন্স' নীতি পুনর্ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বিবৃতিতে বলেন, মাদকের আস্তানা সম্পূর্ণরূপে উপড়ে ফেলা এবং ঢাকা-৬ আসনকে মাদকমুক্ত করা জনগণের নিকট তার অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার।