
জার্মান পর্যটকের উদ্ধারকৃত ল্যাপটপ হস্তান্তর করলো পুলিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৪

আশুলিয়ার চাঞ্চল্যকর বীথি হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন ও আসামি গ্রেফতারের পর সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন পিবিআইয়ের ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার এন এম মোর্শেদ। ছবি: সময় সংবাদ
পরকীয়ার সন্দেহ ও দাম্পত্য কলহের জেরে স্ত্রী বিথীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে মজনু রাজা নামে রিকশার গ্যারেজের এক কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটির দাবি, হত্যাকাণ্ডের পর পালিয়ে সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন তিনি।
চার বছরের দাম্পত্য জীবন। জীবিকার তাগিদে দুজনেরই কর্মস্থল ঢাকার আশুলিয়ায়। স্বামী মজনু রাজা কাজ করতেন রিকশার গ্যারেজে। আর স্ত্রী বিথী ছিলেন গার্মেন্টসকর্মী। তবে সংসারের সেই সম্পর্কেই এক সময় তৈরি হয় সন্দেহ আর অবিশ্বাস।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলনে পিবিআইয়ের পিবিআইয়ের ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার এন এম মোর্শেদ জানান, গার্মেন্টসের এক সহকর্মীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে স্ত্রী বিথির। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে চলছিল বিরোধ। গত ১২ আগস্ট রাতে বিষয়টি নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় দুজনের। একপর্যায়ে উত্তেজনার বশে বিথীর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে পালিয়ে যান স্বামী মজনু রাজা।
এন এম মোর্শেদ আরও জানান, পরকীয়ার সন্দেহ থেকেই স্ত্রী বিথীকে হত্যা করেন মজনু রাজা। গ্রেফতার এড়াতে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন তিনি। পরে চাপাইনবাবগঞ্জে সিমান্ত এলাকা থেকে তাকে
এরইমধ্যে আসামি মজনু রাজা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলেও জানান পিবিআইয়ের ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার।