
যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ: ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি আটক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:২২

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় রাশিয়ার ওপরই নির্ভরতা বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ছবি: রয়টার্স
রাশিয়া থেকে ডিজেল আমদানির চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বাজারে স্বস্তি আনবে বলে দাবি করেছেন ডনাল্ড ট্রাম্প। পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপের পর মস্কো থেকে তাৎক্ষণিক ৩ লাখ টন ডিজেল সরবরাহের ঘোষণা দেন তিনি।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এবার রাশিয়ার ওপরই নির্ভরতা বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে মস্কোর ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও, ডিজেল সরবরাহের জন্য সাময়িক ছাড় দিয়েছে ওয়াশিংটন। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপের পর এই চুক্তির ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। আগামী ৩ নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে জ্বালানির দাম কমানো বড় রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে দেখছেন ডনাল্ড ট্রাম্প।
তিনি বলেন, ‘আমি এইমাত্র রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে অত্যন্ত সফল একটি আলোচনা শেষ করেছি। আলোচনায় সম্মত হয়েছে যে, রাশিয়া তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও বৈশ্বিক বাজারে ৩ লাখ টনের বেশি ডিজেল সরবরাহ করবে। এছাড়া নভেম্বর মাসে আরও ৫ লাখ টন এবং এরপরপরই আরও ১০ লাখ টন ডিজেল সরবরাহ করবে।’
এদিকে, রাশিয়ার সঙ্গে জ্বালানি চুক্তি নিয়ে সরব হয়েছে ইউক্রেন। মস্কোর ওপর চাপ কমানোর অভিযোগ তুলে ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
তিনি বলেন, পুতিনকে দেওয়া কোনো ছাড় সভ্য বিশ্বের জন্য কোনো উপকার বয়ে আনবে না। রাশিয়া এই ডিজেলের বিনিময়ে আরও সন্ত্রাস ও বিশ্বাসঘাতকতার মাধ্যমে জবাব দেবে। আশা করি, মানুষের জীবন রক্ষায় এবং ইউক্রেনের জনগণকে রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র ন্যায্য সমর্থন দেবে। পাশাপাশি রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনাও হবে সমানভাবে শক্ত অবস্থান থেকে।
তবে, ট্রাম্পের এই উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জ্বালানি বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, রাশিয়া থেকে আসা এই পরিমাণ ডিজেল বিশ্ববাজারের সংকট কাটানোর জন্য যথেষ্ট নয়।
জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি ইরান ইস্যুতেও ওয়াশিংটন-মস্কোর যোগাযোগ বাড়ছে। তেহরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সমাধানের প্রচেষ্টায় রাশিয়ার ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হয়েছে ট্রাম্প-পুতিন ফোনালাপে। ক্রেমলিনের দাবি, ইরান সংকট সমাধানে রাশিয়ার অংশগ্রহণকে স্বাগত জানিয়েছেন ট্রাম্প।