
বিমানে সিজেপির পুরুষ নেতাদের আটক করতে কেন নারী পুলিশ?
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ১৬:৬

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দিল্লি পুলিশ কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে গ্রেফতার করেছে।
ভারতের নির্বাচন কমিশনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিরোধীদের বিক্ষোভ মিছিল থেকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক করেছে পুলিশ।
আজ মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সংসদ থেকে নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরের দিকে ইন্ডিয়া জোটের বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা মিছিল নিয়ে যাচ্ছিলেন। সংসদ স্ট্রিটে নীতি আয়োগের কার্যালয়ের কাছে নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের পথ আটকে দেন। পরে আইনপ্রণেতারা সেখানেই অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।
লোকসভায় বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী পুলিশের ব্যারিকেডে উঠে জাতীয় পতাকা ওড়ান। মিছিল আটকে দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর বিক্ষোভস্থল খালি করার সময় পুলিশ বেশ কয়েকজন নেতাকে সরিয়ে নিয়ে যায়, তাদের মধ্যে রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও ছিলেন।
সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এবং তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও বিক্ষোভ চলাকালে আটক করা হয়।
নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়।
বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, এই প্রক্রিয়ার কারণে যোগ্য ভোটাররা ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারেন এবং এর ফলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সুবিধা পেতে পারে।
তবে নির্বাচন কমিশন অনিয়মের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, ভোটার তালিকা সঠিক ও নির্ভুল রাখার লক্ষ্যেই এই সংশোধন করা হচ্ছে। বিজেপিও এই প্রক্রিয়া ক্ষমতাসীন দলকে সুবিধা দিচ্ছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এদিকে সংসদ ও নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তরের আশপাশে ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেড বসানোর পাশাপাশি যান চলাচলেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।টার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় আরও স্বচ্ছতার দাবি এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে কয়েক দিন ধরে চলা বিক্ষোভের ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবারের এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।