
যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেবেন অজিঙ্কা শিন্ডে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১৩:৩০

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভে অংশ নিতে দিল্লির যন্তর মন্তরের কাছে কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে সিপিআই-এম নেতাকে আটক করা হয়।
সিপিআই-এম আরও জানিয়েছে, কেরালার সাবেক এ মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও দলের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি, নেতা এমভি গোবিন্দন মাস্টার, এ বিজয়রাঘবন, কে কে শৈলজা, জন ব্রিটাস, কে এন বালাগোপাল, বৃন্দা কারাতকেও যন্তর মন্তর থেকে আটক করেছে পুলিশ।
সিজেপি নেতাদের আটকের ঘটনায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর কড়া সমালোচনা করেছে দলটি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে তাদের উদ্দেশে ‘লজ্জা হওয়া উচিত’ বলে মন্তব্য করেছে সিজেপি।
দলটি জানিয়েছে, বিক্ষোভে যোগ দিতে আজ শনিবার নয়াদিল্লিতে পৌঁছানোর পর উড়োজাহাজের ভেতর থেকেই সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং আরও দুই গুরুত্বপূর্ণ নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করা হয়। নয়াদিল্লির পুলিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন হওয়ায় অমিত শাহর নাম উল্লেখ করেও ক্ষোভ প্রকাশ করে দলটি।
অন্যদিকে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকেসহ দলটির নেতাদের আটকের ঘটনায় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করেছেন আম আদমি পার্টির (আপ) জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে কেজরিওয়াল লেখেন, ‘এখন আনুষ্ঠানিকভাবেই বলা যায়, আমরা মোদির চরম স্বৈরশাসনের মধ্যে আছি। উড়োজাহাজ থেকে নামার আগেই ককরোচদের গ্রেফতার করা নজিরবিহীন ভয়ের বহিঃপ্রকাশ।’
কেজরিওয়াল আরও লেখেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্পষ্টতই জানেন, তিনি ভোট চুরি করে নির্বাচনে জিতেছেন। নিজের জালিয়াতি আড়াল করতে তিনি গণতন্ত্রকে পুরোপুরি ধ্বংস করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন।’
ভোটার তালিকা সংশোধনের বিশেষ নিবিড় কর্মসূচি (এসআইআর)-এর সময় তালিকায় কারচুপি এবং ভোটার নিবন্ধনের জন্য ব্যবহৃত ‘ফর্ম ৬’-এ পরিবর্তনের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে সিজেপি।