
অস্ত্রোপচারের ধকল নিয়েই দলীয় কর্মসূচিতে জামায়াত আমির
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩৭

চট্টগ্রামে কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান । ছবি: পিএমও
শারদীয় দুর্গোৎসবে রাজধানীর বাইরে ৩ বিভাগীয় শহর রংপুর-চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং রাজশাহীতে জনসভায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে রাজধানী থেকে প্রথমে রংপুর, পরে রাজশাহী এবং সবশেষে রাতে চট্টগ্রামে যান প্রধানমন্ত্রী।
রংপুর
দুপুর ১২টার দিকে রংপুর নগরের ধর্মসভা রাধাগোবিন্দ মন্দির পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী মন্দিরে পৌঁছালে তাকে বরণ করে নেন মন্দির কর্তৃপক্ষ। এ সময় তিনি শিশুদের সঙ্গে সেলফি তোলেন এবং পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখেন। মন্দিরের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী ১০ লাখ টাকার চেক দেন।
সেখানে তিনি বলেন, অতীতের রাজনীতি পরিবর্তন করতে চাই। পরিবর্তনের বড় শক্তি জনগণ। অতীতের মতো, জনগণকে পাশে নিয়েই সরকার এগিয়ে যেতে চায়।
তারেক রহমান বলেন, যারা ভোট দিয়েছেন এবং যারা ভোট দেননি, সরকার সবার জন্যই কাজ করতে চায়।
রাজশাহী
বেলা ৩টার দিকে সামরিক বিমানে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে রাজশাহী মাদ্রাসা মাঠের জনসভায় যোগ দেন।
শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে, ২ পক্ষ ১ হয়েছে। একজন পয়সা দিচ্ছে সীমান্তের ওপার থেকে, আরেকজন এখানে বসে অস্থিরতা তৈরি করার চেষ্টা করছে।
চট্টগ্রাম
সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি রহমতগঞ্জের জেএম সেন পূজামণ্ডপে যান। সেখানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে কোনো ধর্ম দেখিনি, শুধু দেখেছি মুক্তিযুদ্ধ। ২০২৪ সালের গণ অভ্যুত্থানে কেউ জিজ্ঞেস করেনি, গুলি খাওয়া মানুষটি কি মুসলমান নাকি হিন্দু, বৌদ্ধ নাকি খ্রিস্টান। আগামীর বাংলাদেশেও ধর্মের নামে যেন কোনো বিভেদ না থাকে।
তিনি বলেন, আজ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনাদের সামনে এটুকু বলার জন্য উপস্থিত হয়েছি যে, দেশ আপনার, দেশ আমার, আমাদের সকলের। আমরা মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান যে-যাই হই না কেনো, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। আমাদের একমাত্র পরিচয়- আমরা বাংলাদেশের নাগরিক।