
অবসরে গেলেন স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী তারকা
খেলা ডেস্ক
প্রকাশ: ৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৩:০৬

ক্রীড়ামন্ত্রী আমিনুল হক ও মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম। ছবি: যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়
ক্রীড়া কার্ডপ্রাপ্ত খেলোয়াড়দের পরিবহন ও বীমা সুবিধা দিতে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। খেলোয়াড়দের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও তাদের মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাত্রার পথ সুগম করতে সরকারের এই উদ্যোগ।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বিষয়টি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে। সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়ন হলে ক্রীড়া কার্ডধারীরা দেশের সরকারি ও বেসরকারি গণপরিবহনে ছাড়যুক্ত ভাড়ায় যাতায়াত করতে পারবেন। পাশাপাশি ক্রীড়াকালীন দুর্ঘটনা, উন্নত চিকিৎসা ব্যয় ও সার্বিক জীবনের ঝুঁকি মোকাবিলায় তারা বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা, জীবনবীমা ও ঝুঁকিবীমা সুবিধার আওতায় আসবেন।
‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রোববার (৪ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ক্রীড়া কার্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের বিভিন্ন ধরণের সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে এক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভাতেই পরিবহন ও বীমা সুবিধা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। অন্যদের মধ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন, বিআইডাব্লিউটিএর সদস্য মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, ডিএমটিসিএলের পরিচালক মো. আমিনুর রহমান, জীবন বীমা করপোরেশনের জিএম আবু নাইম মো. মারুফ খান, বাংলাদেশ নৌপরিবহন মালিক সমিতির মহাপরিচালক ছিদ্দুকুর রহমান পাটোয়ারীসহ পরিবহন খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
ক্রীড়াকে সম্ভাবনাময় পেশা হিসেবে তরুণ প্রজন্মের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলা এবং ক্রীড়াবিদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে ক্রীড়া কার্ড ও ক্রীড়া ভাতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই কার্ড কেবল সাধারণ কোনো পরিচয়পত্র হিসেবে সীমিত থাকবে না, বরং এর মাধ্যমে ক্রীড়াবিদদের জন্য নানাবিধ রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার একটি সমন্বিত কাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে।
এরইমধ্যে বিভিন্ন ইভেন্টের ৩২৫ জন নির্বাচিত জাতীয় ক্রীড়াবিদকে এই কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে, যার মধ্যে প্রাথমিকভাবে ৩০০ জন নিয়মিত ক্রীড়া ভাতা পাচ্ছেন। এই প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি ক্রীড়াবিদদের ভবিষ্যৎ সুসংগঠিত করতে এবং রাষ্ট্রের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা আরও বাড়িয়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।