
রহমত-আলীখিলের জুটিতে অস্বস্তি নিয়েই দিন শেষ করল বাংলাদেশ
খেলা ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২০:২৩

ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচে ফেরালেন রেনশ। ছবি: এএফপি
ডারবান টেস্টের দ্বিতীয় দিনটি শুধুই ম্যাট রেনশর। বিপর্যস্ত অস্ট্রেলিয়া দুর্দান্তভাবে ম্যাচে ফিরল রেনশর ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসে। শনিবার (১০ অক্টোবর) টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন এই ৩০ বছর বয়সী। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে সিডনিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে সেঞ্চুরি হাঁকানোর দীর্ঘ ৯ বছর পর আবারও তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারের দেখা পেলেন রেনশ। আর সেই ইনিংসকেও চাইলেই টেস্ট ক্রিকেটের অন্যতম সেরা বলাই যায়।
কিংসমিডে দ্বিতীয় দিনে ৩৯০ রানে অলআউট হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। মাত্র ১০ রানের জন্য ডাবল সেঞ্চুরি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন ম্যাট রেনশ। ২৩০ রানে অষ্টম উইকেটের পতনের পর শেষ ২ উইকেটে নাথান লায়ন ও জশ হ্যাজেলউডকে নিয়ে ১৬০ রান যোগ করেছেন রেনশ, যেখানে তাদের দুজনের অবদান যথাক্রমে ২৭ ও ৫ রান!
প্রথম দিনের খেলা শেষে ১২৪ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়েছিল সফরকারী দল। তবে রেনশের নেতৃত্বে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় দিনের সকালেও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখে প্রায় এক দশক পর টেস্টে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন এই ব্যাটার।
৩০ বছর বয়সী রেনশ ২০৪ বলে ১০টি চারের সাহায্যে শতরান পূর্ণ করেন।
এই ম্যাচে প্রত্যাশা ছিল, রেনশ ওপেনিংয়ে ব্যাট করবেন। কিন্তু অবাক করে দিয়ে তাকে পাঁচ নম্বরে নামানো হয়। প্রথম দিনের খেলা শেষে ৪৬ রানে অপরাজিত থাকা রেনশ দ্বিতীয় দিনের প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই বাউন্ডারি মেরে নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করেন।
অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের সঙ্গে ৮৬ রানের জুটি গড়েন রেনশ। তবে এরপর উইয়ান মুল্ডারের বলে ব্যাটের কানায় লাগিয়ে দ্বিতীয় স্লিপে এইডেন মার্করামের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন কামিন্স। ৪৩ রান করে আউট হন অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক।
এরপর মিচেল স্টার্ককে ৬ রানে বোল্ড করেন মুল্ডার। তবে ততক্ষণে প্রথম দিনের ৬ উইকেটে ১৮৭ রানের সংগ্রহের সঙ্গে আরও ৪৩ রান যোগ করে ফেলেছিল অস্ট্রেলিয়া। এরপর টেল এন্ডারদের নিয়ে লড়াই চালান রেনশ। দশম ব্যাটার হিসেবে হার্মারের বলে আউট হওয়ার আগে ৩৯৭ বলে ২১ চার ও ১ ছক্কায় খেলেন ১৯০ রানের মহাকাব্যিক ইনিংস।
স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল মুল্ডার। ২৭ ওভার বল করে ৬৮ রানে ৪ উইকেট নেন তিনি। মার্কো ইয়ানসেন শিকার করেন ৩ উইকেট। এছাড়া আনরিখ নরকিয়া ২টি এবং সাইমন হার্মার ১টি উইকেট শিকার করেন।