
ঘুরে দাঁড়িয়ে আর্সেনাল পরিচয় নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাব দিয়েছে: আর্তেতা
খেলা ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২০:২

সেঞ্চুরি মিস করলেন মুশফিকুর রহিম। ছবি: এসিবি
আবুধাবি টেস্টের তৃতীয় দিনের সকালটা হাসান মাহমুদ আর ইবাদত হোসেনের হলে দিনের বাকি অংশটা মুশফিকুর রহিম ও নাজমুল হোসেন শান্তর। শেষ সেশনটা আবার আক্ষেপেরও, সেঞ্চুরির সুযোগ মিস করেছেন যে দুজনই। সাফল্য আর ব্যর্থতার মাঝেই এই টেস্টে চালকের আসনে আরও জাঁকিয়ে বসেছে বাংলাদেশ।
রোববার (১১ অক্টোবর) আবুধাবি টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে ৩২৯ রানের লিড নিয়েছে বাংলাদেশ।
নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ৭২ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২২৩ রান সংগ্রহ করেছে। দিনের শেষভাগে ১১ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ।
আগামীকাল চতুর্থ দিনে লিটন দাস ৫ ও মেহেদী হাসান মিরাজ ১ রান নিয়ে আবারও ব্যাটিং করতে নামবেন।
এর আগে সকালে নতুন বল নিয়ে দ্রুতই আফগানিস্তানকে গুটিয়ে দেয়। হাসান মাহমুদ ও ইবাদত হোসেনের তাণ্ডবে ২৪০ রানে থামে আফগানরা। হাসান মাহমুদ হ্যাটট্রিকসহ ৫ উইকেট শিকার করেন, ইবাদতের ঝুলিতে যায় ৪ উইকেট।
আফগানদের পক্ষে অধিনায়ক রহমত শাহ্ সেঞ্চুরি হাঁকান। ২১৬ বলে ১০ চার ও ২ ছক্কায় ১০৫ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
১০৬ রানের লিড পাওয়া বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং নেমে দ্রুতই সাদমান ইসলামকে হারায়। দলীয় ৩১ রানের মাথায় মোহাম্মদ সালেমের শিকার হন সাদমান (১৩)। কিছুক্ষণ পর মুমিনুল হকও ফিরতি পথ ধরেন। ৭ রান করে ইয়ামিন আহমদজাইয়ের বলে আউট হন এই বাঁহাতি।
প্রথম ইনিংসে টাইগারদের সর্বোচ্চ স্কোরার তানজিদ এই ইনিংসেও বড় ইনিংসে সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন। কিন্তু ৩৮ বলে ৩১ রান করে তিনিও ইয়ামিনের শিকার হন।
৫৩ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন অধিনায়ক শান্ত, সঙ্গী হন দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ খেলোয়াড় মুশফিকুর রহিম।
দুজন মিলে ১৫৯ রানের জুটি গড়েন। অর্ধশতক পূর্ণ করে দুজনই হাঁটছিলেন সেঞ্চুরির পথে। কিন্তু শেষ বিকেলে খেই হারান।
প্রথমে জিয়া-উর রহমানের বলে কিপারের ওপর দিয়ে শট খেলতে গিয়ে টপ এজড হয়ে স্লিপে ধরা পড়েন মুশফিক। ১৪৮ বলে ৯ চারে ৮১ রানে থামেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার।
এর কিছুক্ষণ পর শান্তও তাকে অনুসরণ করেন। কাইস আহমেদের লেগ ব্রেকের ফ্লাইট ভুল করে বোল্ড হয়ে যান। ১৯১ বলে ৫ চারে ৮২ রান করেন টাইগার দলপতি।
ক্রিজে নাইটওয়াচম্যান হিসেবে নেমে ৬ বল টিকেছেন হাসান মাহমুদ। ১ রান করে জিয়ার বলে এলবিডব্লিউ হন তিনি।
আফগানিস্তানের পক্ষে জিয়া ও ইয়ামিন ২টি করে এবং কাইস ও সালেম ১টি করে উইকেট শিকার করেন।