প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০:৫

ইতিহাসের পাতায় উজ্জ্বল করে থাকা ক্ষমতাধর সুন্দরীদের রূপচর্চার পেছনে রয়েছে অনেক অজানা তথ্য, যা শুনলে আপনি সত্যিই বিস্মিত হবেন।

রানী ক্লিওপেট্রা সপ্তম ফিলোপেটর ছিলেন প্রাচীন মিশরের টলেমীয় রাজবংশের শেষ সক্রিয় ফারাও বা রানী। অসাধারণ সৌন্দর্যের অধিকারিণী ক্লিওপেট্রার রূপে মুগ্ধ ছিলেন অনেকেই।

তখন মিশরে নারীরা যে লিপস্টিক ব্যবহার করতেন, তা তৈরিতে ব্যবহার করা হতো গুবরেপোকার চূর্ণ করা অন্ত্র। আর চোখের নিচে তারা লাগাতেন কুমিরের শুকনো মলের চূর্ণ। একজন নারী হিসেবে ক্লিওপেট্রাও এসব ব্যবহারের বাইরে ছিলেন না।

রানী হিসেবে ক্লিওপেট্রার রূপচর্চার পুরো ব্যাপারটিই ছিল রাজকীয় ব্যাপার। গোসলের জন্য ক্লিওপেট্রা ব্যবহার করতেন টক হয়ে যাওয়া গাধার দুধ।

তার চাকরবাকরেরা প্রতিদিন ৭০০ গাধার দুধ দোয়াতো। এরপর সেই দুধ দিয়ে পূর্ণ করা হতো বিশালাকার এক পাত্র। সেই দুধ টকে গেলেই কেবল ক্লিওপেট্রা তাতে গোসলে নামতেন।

ক্লিওপেট্রার বিশ্বাস ছিল, এর ফলে চামড়ার ভাঁজ দূর হয়। শুনতে অদ্ভুত লাগলেও ক্লিওপেট্রার এই গাধার দুধ কিন্তু আসলেই তার চামড়ার সুরক্ষায় কাজে আসতো।

টকে যাওয়া ল্যাকটোজ ধীরে ধীরে ল্যাক্টিক এসিডে পরিণত হয়। এটা চামড়ার উপরিভাগের অংশকে ঝরিয়ে ফেলে। ফলে বেরিয়ে আসে তুলনামূলক কোমল, দাগহীন নতুন চামড়া।