
বিআরটি প্রকল্প বাতিলের প্রতিবাদে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবস্থান
প্রতিবেদক, রাজশাহী
প্রকাশ: বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৫৭

দুপুরে মেডিকেল কলেজের চারু মামার ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করে ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটি।
হাসপাতালে পর্যাপ্ত ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহসহ পাঁচ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করছেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ৮টায় কর্মবিরতি শুরু করেন তারা। এতে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছেন চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা।
এদিন দুপুরে মেডিকেল কলেজের চারু মামার ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করে ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটি। সংগঠনটির নেতারা জানিয়েছেন, ওয়ার্ডগুলোতে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র সংকট। তাদের অভিযোগ, অবাধে রোগীর সঙ্গে অতিরিক্ত স্বজন-দর্শনার্থী প্রবেশ করায় এবং আনসার সদস্যদের দায়িত্ব অবহেলার কারণে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা প্রতিনিয়ত 'মব'র শিকার হচ্ছেন।
সংগঠনের নেতারা জানান, এরইমধ্যে একাধিক ইন্টার্ন চিকিৎসককে হত্যার হুমকিও দেয়া হয়েছে। রোগীর স্বজনদের হুমকির মুখে একজন নারী ইন্টার্ন চিকিৎসক সিভিল ড্রেসে ওয়ার্ড ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। এ ছাড়া অবজারভেশন রুম ও ক্যাজুয়ালিটি বিভাগ চালু না থাকায় ভর্তি ওয়ার্ডে রোগীর অতিরিক্ত চাপ সামলাতে ইন্টার্নদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
তাদের অভিযোগ, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বারবার সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলেও এখন পর্যন্ত তা বাস্তবায়ন করা হয়নি। এসব সমস্যা সমাধানের দাবিতে পাঁচ দফা দাবিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি পালন করছেন।
ইন্টার্ন চিকিৎসকেরদ পাঁচ দাবি হলো- ভর্তি ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ নিশ্চিত করা, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, একজন রোগীর সঙ্গে দুইজনের বেশি স্বজনকে হাসপাতালে ঢুকতে না দেয়া, রোগী ভর্তির দিন ও পরের দিন সব ওয়ার্ডে আনসার সদস্যদের সক্রিয় উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং অবিলম্বে ক্যাজুয়ালিটি বিভাগ চালু করা।
সংগঠনের সভাপতি ডা. এস এম তপু জানান, দাবি পূরণ না হলে পরবর্তীতে আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হবে।
এদিকে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কর্মবিরতি পালন করায় ওয়ার্ডে তেমন প্রভাব পড়ছে না বলে জানিয়েছেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শেখ শামীম আহমেদ। তিনি জানান, সমস্যা সমাধানে হাসপাতালের পরিচালক ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করছেন। দ্রুত বিষয়টি সমাধান হবে বলে জানান তিনি।