
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাইকা প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১৬:২৩

ফাইল ছবি
এসবির সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ১১শত কোটি টাকার মানি লন্ডারিংয়ের প্রমাণ পেয়েছে দুদক।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক মোজাম্মিল হোসেন এসব তথ্য জানান।
সংস্থাটি জানিয়েছে, দায়িত্ব পালনকালে অবৈধ সম্পদের তথ্য গোপন করতে শ্যালকের হিসাবে এসব সম্পদ জমা করেন তিনি। এ ঘটনায় মনিরুল ও তার স্ত্রী সাবেক অতিরিক্ত সচিব শায়লা ফারজানা এবং শ্যালকসহ চার জনকে আসামি করে দুটি মামলা করেছে দুদক।
আওয়ামী শাসনামলজুড়ে প্রভাবশালী ছিলেন এ পুলিশ কর্মকর্তা সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুল ইসলাম। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর দেশ ছেড়ে পালানোতে এ কর্মকর্তার দুর্নীতি অনুসন্ধান করতে নামে দুদক। প্রথমে তার নামে তেমন কোনো সম্পদ খুঁজে পায়নি তারা। তবে অনুসন্ধানের একপর্যায়ে তার শ্যালক রেজাউল করিম শাহীনের খোঁজ পায় দুদক। ব্যাংক হিসাবে ১০ হাজার ৪৫ কোটি টাকার মানি লন্ডারিংয়ের তথ্য পায় তারা। এছাড়া ২৩ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ মিললেও কোনো আয়ের উৎস দেখাতে পারেননি তার শ্যালক শাহীন।
দুদক জানিয়েছে, মনিরুল ও তার স্ত্রী শায়লা ফারজানা তাদের সম্পদ হিসাব গোপন করতে শ্যালকের নামে হস্তান্তর করেন। এদিকে সিপাহী (সাবেক) বাবা শাহীনকে ২৫ কোটি টাকা দান করেছেন, যার কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ মেলেনি বলেও জানান দুদক উপ-পরিচালক মোজাম্মিল হোসেন।
একইভাবে মনিরুলের শ্যালক শাহীনের স্ত্রী সানজিদা খানম টুম্পার ব্যাংক হিসাবে দুদক খুঁজে পেয়েছে ৫৮ কোটি টাকার বেশি মানি লন্ডারিংয়ের তথ্য। এছাড়া অবৈধ সম্পদ পেয়েছে ১৫ কোটি টাকার বেশি।
এদিকে, সাবেক এ এসবি প্রধান মনিরুলের বিরুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের দুটি এনজিওতে অর্থ পাচার এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আরও দুটি অনুসন্ধান দুদকে চলমান রয়েছে।