
মুগ্ধসহ ১১ জনকে হত্যা: ২৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ ট্রাইব্যুনালের
মহানগর ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১৪:১৮

সেতুটি বাস্তবায়িত হলে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিলাইদহের কুঠিবাড়ী ও ফকির লালন সাঁইয়ের আখড়ার মধ্যকার দূরত্ব ও যাতায়াত অনেক সহজ হয়ে উঠবে। ছবি: সংগৃহীত
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার গড়াই নদীর ওপর ‘শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু’ নির্মাণের আবেদনটির পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। একই সঙ্গে এ বিষয়ে গৃহীত কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রতিবেদন কার্যালয়ে পাঠানোর জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রটোকল অফিসার-১ মো. উজ্জল হোসেনের সই করা গত ১০ অক্টোবরের এক চিঠিতে এই নির্দেশ দেয়া হয়। চিঠিটি স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নিহত শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের বাবা মো. বরকত উল্লাহ কয়া ইউনিয়নের ঘোড়াঘাট-বড়বাজার সংযোগ সড়কে গড়াই নদীর ওপর ‘শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু’ নির্মাণের জন্য স্থানভিত্তিক একটি আবেদন প্রধানমন্ত্রীর বরাবর জমা দেন। ওই আবেদনের আলোকেই পরবর্তী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
আবেদনপত্রে জানানো হয়, কয়া, শিলাইদহ, চর সাদীপুর, নন্দলালপুর ও হরিপুর ইউনিয়নের একাংশের প্রায় দুই লাখ মানুষ সরাসরি এই যাতায়াত ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার মানুষকে চরম ঝুঁকি ও দুর্ভোগ নিয়ে নৌকায় নদী পার হতে হয়। এতে অসুস্থ রোগী, প্রসূতি মা, শিশু ও প্রবীণদের মারাত্মক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
এর আগে ২০২৫ সালের মার্চে এলাকাবাসীর আবেদনে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরকে (এলজিইডি) প্রাথমিক ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। পরবর্তী সময়ে প্রকল্পের পরিচালক এলাকা পরিদর্শন করেন এবং বুয়েটের উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ দল স্থানটি সরেজমিন পর্যবেক্ষণ ও পরিবেশগত জরিপ শেষ করে।
আবেদনকারীদের আশা, সেতুটি বাস্তবায়িত হলে কুষ্টিয়া শহরের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা ও ব্যবসার অগ্রগতি হবে। এ ছাড়া বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিলাইদহের কুঠিবাড়ী ও ফকির লালন সাঁইয়ের আখড়ার মধ্যকার দূরত্ব ও যাতায়াত অনেক সহজ হয়ে উঠবে।
তবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পাঠানো চিঠিতে সেতু নির্মাণের চূড়ান্ত অনুমোদন বা নির্মাণকাজ শুরুর কোনো আদেশ দেয়া হয়নি; কেবল প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ ও অগ্রগতি হালনাগাদ প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশনা রয়েছে।