
ডেঙ্গুতে আরও ৩ প্রাণহানি

ময়মনসিংহের ত্রিশালে নির্মাণসামগ্রী লুটের ঘটনায় গ্রেফতার ৮ আসামি। ছবি: সময় সংবাদ
ময়মনসিংহের ত্রিশালে একটি কনস্ট্রাকশন কোম্পানির সংরক্ষণাগার থেকে ৪৬ লাখ টাকার নির্মাণসামগ্রী লুটের ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের আট সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রাক এবং লুণ্ঠিত মালামালের কিছু অংশ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবদুল্লাহ আল-মামুন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, গাজীপুর, মুন্সীগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জসহ পাঁচটি জেলায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ১ অক্টোবর সন্ধ্যায় ত্রিশাল উপজেলার বৈলর মঠবাড়ি বড় পুকুরপাড় এলাকায় অবস্থিত ‘রিজভী কনস্ট্রাকশন লিমিটেড’-এর মালামাল সংরক্ষণাগারে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল দুটি ট্রাকে করে প্রতিষ্ঠানের ৬০০ পিস এমএস পাইপ, ১৬০ পিস স্টিল শাটার, ১৬০ পিস স্টিল জয়েন্ট, ১০টি জানালার গ্রিল, ৯টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ৩৫ হাজার টাকাসহ মোট ৪৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক (অপারেশন) মো. মোখছেদুর রহমান বাদী হয়ে ৩ অক্টোবর ত্রিশাল থানায় একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্তভার দেয়া হয় উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদকে।
তদন্ত কর্মকর্তা তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালিয়ে পর্যায়ক্রমে আটজনকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন- জামালপুরের ইসলামপুরের খবিজল (৩৫) ও সৈকত ওরফে সাখাওয়াত (২৪), ময়মনসিংহের নান্দাইলের আবু হানিফ (৩৮) ও উজ্জ্বল মিয়া (২৫), ভোলার দুলারহাটের সোহেল (২৫), বরিশালের মুলাদীর বাদল ওরফে আসলাম (২৮), ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের মাসুদ মিয়া (৩৫) এবং ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলের ফরিদ হোসেন (৪৫)।
গ্রেফতার ব্যক্তিদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানার নাওজোড় এলাকা থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রাক জব্দ করা হয়। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের ভুলতা গাউছিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে লুণ্ঠিত ছয়টি এমএস পাইপ উদ্ধার করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল-মামুন জানান, ডাকাত চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেফতার এবং অবশিষ্ট মালামাল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।