
কুইন্স কমনওয়েলথ রাইটিং কম্পিটিশনে এবার গোল্ড পেল স্কুলছাত্রী মৌশি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০:৪০

পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে গঠিত ২০টি পরিবীক্ষণ টিমের সদস্যদের সঙ্গে সভা করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। ছবি: সংগৃহীত
সরকারি বাসস্থানে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ বা এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে সরাসরি ফ্ল্যাটের বরাদ্দ বাতিলের পাশাপাশি নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের জরিমানা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় তেজগাঁও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে আয়োজিত ঢাকা মহানগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ বিষয়ক সভায় এই হুঁশিয়ারি দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ঢাকা মহানগরীর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিবীক্ষণের দায়িত্বে থাকা ২০টি কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা শহরকে বাসযোগ্য করতে প্রধানমন্ত্রী প্রথম দিন থেকেই অত্যন্ত সচেষ্ট। তিনি স্বচক্ষে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল ও কোয়ার্টারের অবস্থা দেখে এসেছেন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, বড় বড় সরকারি কোয়ার্টার, বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট ও হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে এডিস মশার লার্ভা ও চরম অবহেলার চিত্র পাওয়া গেছে।’
পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে গঠিত ২০টি পরিবীক্ষণ টিমকে কঠোর অবস্থান নেয়ার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবে মাঠে কাজ করছেন। যেখানে অনিয়ম ও লার্ভা পাবেন, সেখানেই আইনগত ব্যবস্থা ও কঠোর জরিমানা করবেন। সরকারি কর্মচারীরা নিজেদের কোয়ার্টার পরিষ্কার রাখতে না পারলে তাদের সরকারি বাসায় থাকার কোনো যোগ্যতা নেই।”
নগরীর সৌন্দর্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, ঢাকার হাতিরঝিল, ধানমন্ডি, বনানী ও গুলশান লেক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে পূর্বের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) কাজ করছে। এ ছাড়া উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ২৯টি এবং ডিএসসিসি ২৬টি খাল পুনঃখনন, গাইড ওয়াল নির্মাণ ও নেটিং করার কাজ চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘প্লাস্টিক বা লোহার ডাস্টবিন চুরি হয়ে যাওয়ার বিষয়টি মাথায় রেখে ফাইবার বোর্ড দিয়ে নতুন বিন তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, যা দুই সিটি করপোরেশন পর্যায়ক্রমে স্থাপন করবে। টিমগুলোর সমন্বিত ও কঠোর ভূমিকা থাকলে আগামী এক-দুই মাসের মধ্যেই ঢাকার দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে।’