
হারানো ফোন খুঁজতে গিয়ে স্বামী-স্ত্রীর কাছে মিলল ৪৭ চোরাই পণ্য
প্রতিবেদক, লালমনিরহাট
প্রকাশ: সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০:৫৩

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বাঘের আক্রমণে তিনজন আহতের ঘটনায় আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন সীমান্ত এলাকার মানুষ। ছবি: সময় সংবাদ
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় বাঘের আক্রমণে নারীসহ তিনজন আহত হয়েছেন। বাঘটিকে নিরাপদে উদ্ধারে সোমবার ((২৬ অক্টোবর) বিকেল থেকে কাজ করছে ঢাকা থেকে আসা ছয় সদস্যের বন বিভাগের বিশেষ দল। তবে এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি বাঘটিকে। সেটিকে শনাক্ত করতে ড্রোন দিয়ে নজরদারি চালাচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
এর আগে রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে বাঘটিকে এলাকাবাসী দেখলেও সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সেটি কারো নজরে আসেনি বলে জানান এলাকাবাসী।
তবে, লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গোতামারী ইউনিয়নের আমঝোল সীমান্তে বাঘের আতঙ্ক কাটছে না। বাঘের আক্রমণে নারীসহ তিনজন আহত হওয়ার পর থেকে লাঠিসোঁটা নিয়ে রাত-দিন পাহারা দিচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বাঘটিকে শনাক্ত করতে ড্রোন দিয়ে নজরদারি চালানো হলেও এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
জানা যায়, রোববার সন্ধ্যায় আমঝোল এলাকায় বাঘের আক্রমণে আহত হন শরিফা বেগম, আফসার হোসেন ও নজরুল ইসলাম। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রোববার বিকেলে ধানক্ষেতে ছাগল খুঁজতে গিয়ে শরিফা বেগম বাঘের আক্রমণের শিকার হন। পরে তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে আরও দুজন বাঘের হামলার শিকার হন। ঘটনার পর থেকেই বাঘ আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন সীমান্ত এলাকার মানুষ। বাঘটি রাতভর বাঘ দেখা গেলেও সোমবার সকাল থেকে মিলছে না।
রোববার মধ্যরাতে ড্রোন ক্যামেরায় বাঘটিকে শনাক্ত করা গেলেও শেষ রাতের দিকে সেটি ক্যামেরার নজরদারির বাইরে চলে যায়। সোমবারও ড্রোন উড়িয়ে বাঘটির অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। একইসঙ্গে সীমান্ত এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি করছে বিজিবি।
এ দিকে, বাঘটিকে নিরাপদে উদ্ধার করতে সোমবার বিকেলে ঢাকা থেকে বন বিভাগের ৬ জনের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
রংপুরের সামাজিক বন বিভাগের উপ-বন সংরক্ষক ও বিভাগীয় বন-কর্মকর্তা মো. নূরুল ইসলাম জানান, আমাদের মনে হচ্ছে এখানে আর বাঘটি নেই। রোববার রাতেই সে তার নিজ গন্তব্যে চলে গেছে বলেও তিনি ধারণা করেন।
বাঘটি উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত আতঙ্ক কাটছে না সীমান্ত এলাকার মানুষের। এখন বন বিভাগের বিশেষ দলের অভিযান এবং বিজিবির নজরদারির দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন স্থানীয়রা।