
কালভার্টে ব্যবহার হলো বাঁশ, প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে তদন্ত কমিটি
প্রতিবেদক, জামালপুর
প্রকাশ: শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৮:৪২

জামালপুর জেলা পরিষদে বক্তব্য দিচ্ছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। ছবি: সময় সংবাদ
আওয়ামী লীগের পুনরুত্থানের কোনো সম্ভাবনা নেই মন্তব্য করে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, ইতিহাসে গণ-ভ্যুত্থানের মাধ্যমে বিদায় নেয়া সরকারের পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হওয়ার নজির নেই।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) জামালপুর জেলা পরিষদ আয়োজিত বিমানমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সম্মাননা এবং বিভিন্ন মাদ্রাসা, মসজিদের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতির বক্তব্য তিন এ কথা বলেন।
বিমানমন্ত্রী বলেন, এ দেশে আর কোনো অবস্থাতেই আওয়ামী লীগের পুনরুত্থান হবে না। কোনোভাবেই সম্ভবনা নেই। এই যে, ৩১ ডিসেম্বরে বা ডিসেম্বরের মধ্যে উঁকি দিচ্ছি বা আসছি, এগুলো সব হাস্যকর কথা। পৃথিবীর কোনো ইতিহাসে গণ-ভ্যুত্থানের মাধ্যমে বিদায় নিয়েছে যে সরকার, আবার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে-- এমন নজির নেই।
‘আমরা ’৭১ সালে স্বাধীন হয়েছিলাম। কিন্তু সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যে লড়াই, সেটা বার বার ব্যাহত হয়েছে। এরশাদের আমলে ব্যাহত হয়েছে, সেটা ’৯০-এর গণ-অভ্যুত্থানে তা আবার ফিরে এসেছে। আমরা তিনবার নির্বাচন করেছিলাম। তা গণতান্ত্রিক পন্থায়। আবার ২০০৭ সালে আমাদের সার্বভৌমত্ব কেড়ে নেয়ার চক্রান্তের শিকার হলাম’, যোগ করেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
মন্ত্রী আরও বলেন, নিষিদ্ধ একটি দল ১৭ বছর টানা ক্ষমতায় থেকে আমাদের সবার অধিকার হরণ করে ফেলেছিল। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে নষ্ট করে দিয়েছিল। বাংলাদেশের সার্বভেমৈত্ব ছিল না। আমরা যদি নির্বাচন করার সুযোগ না পেতাম, তাহলে বাংলাদেশ আর বাংলাদেশ থাকত না। সিকিমে পরিণত হত। তবে আলহামদুলিল্লাহ। আমরা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে পেরেছি।
অনুষ্ঠানে জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনের সংসদ সদস্য সুলতান মাহমুদ বাবু, জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ি) আসনের সংসদ সদস্য ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনি বক্তব্য দেন।
এ সময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী ও পুলিশ সুপার ফারজানা ইয়াছমিনসহ বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও জেলা, উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে ৫৭১টি মসজিদ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।