
শারদীয় দুর্গোৎসব: উপকূলীয় ১৪৪ মণ্ডপে ৩৫০০ কোস্ট গার্ড নিয়োজিত
প্রতিবেদক, বরগুনা
প্রকাশ: বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮:৫

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে বরগুনার সার্কিট হাউজে বক্তব্য দিচ্ছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। ছবি: সময় সংবাদ
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম মনি বলেছেন, ‘আমরা ৫ মাসের মাথায় দুটি লংমার্চ দেখেছি। যারা করে, কি কারণে করে আমি জানি না। তারা বলে- গ্যাস দে, বিদ্যুৎ দে, নইলে গতি ছেড়ে দে। বিদ্যুৎ কি কারো পক্ষে আটকে রাখা সম্ভব?’
বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে বরগুনার সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে একথা বলেন নুরুল ইসলাম মনি।
তিনি আরও বলেন, ‘তাদের সেই জ্ঞান বুদ্ধি হয়েছে কিনা তাও আমি জানি না। তারা বলে- গ্যাস দে, বিদ্যুৎ দে, নইলে গতি ছেড়ে দে। বিদ্যুৎ কি কারো পক্ষে আটকে রাখা সম্ভব? চাইলেই বিদ্যুৎ বিক্রি করা যাবে না, আটকে রাখা যাবে না, গোপন করা যাবে না- সেই বিদ্যুৎ না দিয়ে প্রধানমন্ত্রী কষ্ট দেবেন কেন? প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ না দিয়ে আপনাদের সবাইকে কষ্ট দিলো এবং ভবিষ্যতে আপনারা বিএনপিকে ভোট দিলেন না, তাহলে প্রধানমন্ত্রীর লাভ কি হল?’
চিফ হুইপ বলেন, ‘ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের যত দুঃসময় আসে তখন দেশের শাসনভার থাকে বিএনপির কাঁধে। বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য ভালো বলেই তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পেয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘পতিত শেখ হাসিনা সরকার বিদ্যুতের বিষয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করে গেছেন। সামিট গ্রুপ বিদ্যুতের সমস্ত টাকা নিয়ে গেছে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন যাতে না হয় সেই ব্যবস্থা করেছে।’
পাওয়ার প্লান্ট আছে কিন্তু সেখানে বিদ্যুৎ তৈরি হয় না জানিয়ে চিফ হুইপ বলেন, ‘তারা খারাপ যন্ত্রপাতি এনে পাওয়ার প্লান্ট ভরে রেখেছে, তা দিয়ে উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে না। একটা দেশ ধ্বংস করার এক রকম প্ল্যান হতে পারে, এটা ভিতরে ঢোকার পর আমি বুঝেছি।’
পায়রা বন্দরের চ্যানেল খননের বিষয় তিনি বলেন, ‘৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে পায়রা বন্দরের চ্যানেল খনন করা হয়েছে। খননের আগে গভীরতা ছিল পাঁচ মিটার এবং খনন শেষেও গভীরতা ৫ মিটার। অথচ দেশের ছয় হাজার কোটি টাকা নাই। এ রকম লুটপাট এবং দেশ ধ্বংস যে কেমন করে হয়, এটা না দেখলে বুঝতে পারবেন না।’