
ডেমরা সেতু মেরামতে দুদিন যানজটের শঙ্কা, বিকল্প সড়ক ব্যবহারের অনুরোধ
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১৩:২৪

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম। ফাইল ছবি
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেছেন, রাজপথে কোথাও হকার বসতে দেয়া হবে না। নিয়ম করা হয়েছে সেটি মানতে হবে। তবে ফুটপাত তখনই দেয়া হবে যখন রাস্তা পরিষ্কার করতে হবে নিজেদের দায়িত্বে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর কালবাগানের স্টাফ কোয়ার্টার এলাকার নাগরিক সমাজের সঙ্গে এলাকার উন্নয়ন নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
আব্দুস সালাম বলেন, ঢাকা দক্ষিণের মূল সমস্যা হচ্ছে জলাবদ্ধতা। এটা নিয়ে কাজ হচ্ছে। নিউমার্কেট এলাকার নাম শুনলে সাধারণ মানুষ এখানে আসতে ভয় পায়। কারণ এখানকার রাস্তাঘাট হকার দিয়ে ভরা-এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, দ্রুত কর্মসূচি দেয়া হবে।
রাজপথে কোথাও হকার বসতে পারবে না। আমরা নিয়ম করেছি সেটি মানতে হবে। তবে ফুটপাত তখনই দেয়া হবে যখন রাস্তা পরিষ্কার করতে হবে নিজেদের দায়িত্বে। মতিঝিলে নৈশকালীন একটি মার্কেট ব্যবস্থা করা হয়েছে। অর্থাৎ নিয়মনীতিতে আসলে সুবিধা দেয়া হবে। এই ব্যাপারে সবার সহযোগিতা চাই। নাগরিক চাহিদা মিটানোর দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের, দায়িত্ব পালন না করলে জানাবেন আমরা ব্যবস্থা নিবো বলেও জানান তিনি।
একই অনুষ্ঠানে রাজধানী ঢাকার উন্নয়নে সবার অংশগ্রহণ চেয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এখানকার সার্বিক উন্নয়ন, নাগরিক স্বস্তি ও শৃঙ্খলা ফেরাতে সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও নগরবাসীকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনের সীমিত জনবল ও সক্ষমতা দিয়ে প্রায় সাড়ে তিন কোটি মানুষের সেবা নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ। এছাড়াও আগের সরকারের সময়ে আর্থিক অনিয়ম ও তহবিলের অপব্যবহারের কারণে সংস্থাটির আর্থিক সক্ষমতাও বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তবে কোন এলাকার রাস্তা খারাপ বা গুরুত্বপূর্ণ তা বিবেচনায় নিয়েই উন্নয়নকাজের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে। ব্যক্তি বা এলাকার পরিচয় বিবেচনায় নেয়া হবে না।
বিভিন্ন ওয়ার্ডের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। সিটি করপোরেশন চেষ্টা করছে বলব, তবে পর্যাপ্ত নয়। পর্যাপ্ত করার ক্ষেত্রে কিছু অন্তরায়ও আছে সেটা আমরা বুঝি এবং জানি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, সব স্তরের দলের নেতৃবৃন্দ, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী, সাধারণ জনগণ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং জনগণ যারা আছেন সবাই মিলে এ ঢাকা সিটিকে সার্বিক উন্নয়ন এগিয়ে নিয়ে যাই।