
ব্রহ্মপুত্রে জেলের জালে ধরা পড়ল ৯০ কেজির বাঘাইড়, বিক্রি কত টাকায়?
সঞ্জয় কর্মকার অভিজিৎ, মাদারীপুর
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৫

মাদারীপুরে সব ধরনের শাকসবজির দাম বেড়েছে। ছবি: সময় সংবাদ
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে শহরের পুরান বাজার এলাকার প্রধান পাইকারি কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, সড়কের দুই পাশে সারি সারি সবজির দোকান। সেখানে ক্রেতাদের ভিড়। দূরদূরান্ত থেকে পাইকাররা এসেছেন সবজি কিনতে। তবে বাড়তি দামে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন তারা।
জানা গেছে, বগুড়া, কুষ্টিয়া, রাজবাড়ীসহ বিভিন্ন জেলা থেকে ট্রাকে করে বাঁধাকপি, ফুলকপি, শিম, গাজর, পেঁপেসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি মাদারীপুরের পাইকারি আড়তে নিয়ে আসেন আড়তদাররা। পরে সেগুলো পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হয়। পাইকারদের কাছ থেকে সবজি কিনে স্থানীয় হাটবাজারে বিক্রি করেন খুচরা বিক্রেতারা। এভাবে কয়েক হাত ঘুরে ক্রেতাদের কাছে পৌঁছায় সবজি, যার প্রভাব পড়ে দামে। তবে পরিবহন খরচ কমলে সবজির দামও কমতে পারে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।
আড়তদারদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৩৮ টাকা, আদা ১৭০ টাকা, রসুন ৮০ টাকা, বাঁধাকপি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, ফুলকপি ৮০ থেকে ৯০ টাকা, আলু ১৭ থেকে ১৮ টাকা, পেঁপে ১০ থেকে ১২ টাকা, পটল ৩৬ টাকা, বেগুন ৭৫ টাকা এবং কাঁচামরিচ ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে বাড়তি দাম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ক্রেতা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘জেলার সব পাইকারি বাজারেও শাকসবজির বাড়তি দাম। শুধু দাম বেড়েই যায়, কিন্তু কখনই কমে না। এটি দেখার যেন কেউই নেই। কী করব, আমাদের তো কিনে খেতেই হবে। আমরা ক্রেতারা অসহায়।’
ব্যবসায়ী ইরফান আহম্মেদ রেজা বলেন, ‘প্রতিদিনই বাজারে শাকসবজির দাম বেড়েই চলছে। পাইকারি কিনতে গেলে দাম বেশি, বিক্রি করতে গেলে ক্রেতাদের সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া করতে হয়। আমরা চাই বাজার স্থিতিশীল থাকুক। কিন্তু তাও কখনই হয় না।’
আড়তদার বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘পরিবহন খরচ বেড়েছে, তাই কাঁচামালের দাম কিছুটা বেড়েছে। এক্ষেত্রে আমাদের কিছুই করার নেই।’
আবু তালহা বাণিজ্যালয়ের ব্যবসায়ী বাবুল মাতুব্বর বলেন, ‘একদিকে উৎপাদন কম, অন্যদিকে হঠাৎ জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় কিছুটা বেড়েছে দাম। আমরা সাধ্যমতো দাম কম রাখার চেষ্টা করছি।’
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মাদারীপুরের সহকারী পরিচালক সুচন্দন মন্ডল বলেন, ‘কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে যদি কোনো পণ্যের দাম বেশি রাখে, এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ছাড়া বাজার নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে।’