
উৎপাদন খরচ বাড়লেও ফসলের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় দুশ্চিন্তায় কৃষক
বাণিজ্য ডেস্ক
প্রকাশ: ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩:৩৩

ছবি: বিবিসি
স্যামসাংয়ের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত তিন মাসে তাদের পরিচালন মুনাফা বেড়ে ১০৭ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ওনে দাঁড়াতে পারে। যা প্রায় ৬১ বিলিয়ন পাউন্ড বা ৮০ বিলিয়ন ডলারের সমান। এ আয় টানা চতুর্থ ত্রৈমাসিকের রেকর্ড মুনাফা হতে পারে।
স্যামসাং বিশ্বের অন্যতম বড় মেমরি চিপ নির্মাতা। এ খাতে তাদের স্থানীয় প্রতিদ্বন্দ্বী এসকে হাইনিক্স এবং যুক্তরাষ্ট্রের মাইক্রনও রয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো এনভিডিয়ার মতো এআই কোম্পানির জন্য গুরুত্বপূর্ণ চিপ তৈরি করে।
এদিকে গ্যালাক্সি ফোল্ড ও এস২৬ স্মার্টফোন নির্মাতা স্যামসাং আগস্টে উন্মোচিত তাদের সর্বশেষ ফোল্ডিং ডিভাইসগুলোর বিক্রি থেকেও লাভবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তৃতীয় ত্রৈমাসিকের পূর্ণাঙ্গ আর্থিক প্রতিবেদন অক্টোবরের শেষে প্রকাশ করবে স্যামসাং।
দক্ষিণ কোরিয়ার বড় কোম্পানিগুলো বিস্তারিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের আগে বিনিয়োগকারীদের প্রাথমিক ধারণা দিতে সাধারণত এ ধরনের আয়ের পূর্বাভাস প্রকাশ করে। এআই প্রযুক্তির উন্নয়নে ব্যবহৃত কম্পিউটার চিপের বিশ্বজুড়ে ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। এতে এআই খাতের সঙ্গে যুক্ত চিপ নির্মাতাদের আয় ও শেয়ারের দামও বাড়ছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চাহিদা বাড়ার কারণে বিশ্বজুড়ে সেমিকন্ডাক্টরের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এতে স্যামসাংয়ের মতো কোম্পানির বিক্রি বেড়েছে। চলতি বছরের শুরুতে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারবাজার মূল্যায়ন ১ ট্রিলিয়ন ডলার বা ৭৫৭ বিলিয়ন পাউন্ড ছাড়িয়ে যায়।
এআই খাতে বিনিয়োগও ব্যাপকভাবে বেড়েছে। গুগল, অ্যামাজন ও মেটাসহ যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি জায়ান্টগুলো চলতি বছর এআই প্রকল্পে ৬৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
গত জুনে দক্ষিণ কোরিয়া আগামী বছরগুলোতে দেশের চিপ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে একটি বড় প্রকল্পের পরিকল্পনা প্রকাশ করে। স্যামসাং ও এসকে হাইনিক্সের নেতৃত্বে ওই প্রকল্পে অন্তত ৮৮০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।
এআই চিপের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জাপান, চীন ও তাইওয়ানের প্রতিদ্বন্দ্বী এশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোও চিপ কারখানায় বড় ধরনের বিনিয়োগ করছে।
অন্যদিকে, বাড়তি চাহিদার কারণে চিপের ঘাটতি তৈরি হওয়ায় স্যামসাংসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান চিপের দাম বাড়িয়েছে। এতে স্মার্টফোন ও কম্পিউটারের মতো বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্যের দামও বেড়েছে।