
নারীদের হার্নিয়া হলে বোঝার উপায় কী? লক্ষণগুলো অবহেলা করবেন না
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৪৪

হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ডেঙ্গু রোগীরা। ছবি: সময় সংবাদ
চলতি বছরের প্রথম দশ মাসেই ছাড়িয়ে গেছে গত বছরের ডেঙ্গু আক্রান্তের রেকর্ড। মৃত্যুর সংখ্যাও কাছাকাছি। ডেঙ্গুতে পুরুষরা বেশি আক্রান্ত হলেও মোট মৃত্যুর ৫২ শতাংশই নারী। চিকিৎসকরা বলছেন, ডেঙ্গুর সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে নারী ও গর্ভবতীরা। এমনকি ডেঙ্গু হলে ঝুঁকি আছে গর্ভপাতেরও।
গত বছরের তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। আর মৃত্যুও বেশি ১১২। এছাড়া গত বছরের আক্রান্তের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে এ বছরের অক্টোবরেই। মৃত্যুর সংখ্যাও কাছাকাছি।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিসংখ্যান বলছে, আক্রান্তদের মধ্যে ৬০ শতাংশের বেশি পুরুষ হলেও ৫০ শতাংশের বেশি মৃত্যু নারীদের।
আক্রান্তরা বলছেন, শুরুতে ডেঙ্গুর লক্ষণ বুঝতে না পারায় হাসপাতালে আসতে দেরি হচ্ছে। সাধারণ লক্ষণের পাশাপাশি দেখা দেয় অন্যান্য জটিলতাও।
চিকিৎসকরা বলছেন, ডেঙ্গুতে গর্ভবতী নারীরা আছেন বেশি ঝুঁকিতে। এমনকি ডেঙ্গু হলে প্রভাব পড়তে পারে গর্ভের সন্তানের উপর, হতে পারে গর্ভপাতও।
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. ঈশিতা বিশ্বাস বলেন,
ডেঙ্গুতে নারী মৃত্যুহারটা বেশি। ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে ডেথ রিভিউ করে দেখছি, জ্বরের অবহেল একটি কারণ। এ ছাড়া, গর্ভবতী নারীর ক্ষেত্রে মা যেমন ঝুঁকিতে থাকেন, তেমনি গর্ভের সন্তানও ঝুঁকিতে থাকে। এক্ষেত্রে গর্ভেই শিশুটার মৃত্যু হতে পারে। অনেক সময় গর্ভপাতও হয়ে যেতে পারে।
ডেঙ্গুর এ সময়ে নারীদের বিশেষ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে চিকিৎসকরা বলছেন, গর্ভবতীদের জ্বর হলেই অবহেলা না করে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।
ডা. ঈশিতা বিশ্বাস বলেন,
গর্ভবতীদেরকে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বলব। এ মুহূর্তে যেহেতু ডেঙ্গুর মৌসুম চলছে, তাই কোনো গর্ভবতী মায়ের জ্বর হলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এ জ্বরের কারণ ডেঙ্গু কিনা, সেটা অবশ্যই দেখে নিতে হবে। গর্ভবতী মায়ের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দিয়ে থাকি।
জ্বর কিংবা শরীর ব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বা ব্যথানাশক ওষুধ না খাওয়ার পরামর্শ চিকিৎসকদের।