
সৌদি আরব কেন হুতিদের হামলা ঠেকাতে পারছে না
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৬

খাইবার পাখতুনখোয়ার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী সোহাইল আফ্রিদি। ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের সদ্য ক্ষমতা হারানো মুখ্যমন্ত্রী সোহাইল আফ্রিদিসহ পিটিআই-এর ৮ নেতাকে আটক করেছে দেশটির পুলিশ। সোমবার (১২ অক্টোবর) পুলিশ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
পুলিশের বরাত দিয়ে জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খাইবার পাখতুনখোয়ার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী সোহাইল আফ্রিদিসহ পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর অন্তত আটজন নেতাকে পুলিশের হেফাজতে নেয়া হয়েছে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুলিশের হেফাজতে থাকা নেতাদের মধ্যে খাইবার পাখতুনখোয়া বিধানসভার স্পিকার বাবর সেলিম সোয়াতি এবং পিটিআই-এর প্রাদেশিক সভাপতি জুনায়েদ আকবরও রয়েছেন।
খাইবার পাখতুনখোয়ার প্রাদেশিক সরকার ভেঙে দেয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাদের আটকের খবর এল। রোববার নিরাপত্তাসংক্রান্ত সংবিধানের দুটি অনুচ্ছেদের আওতায় খাইবার পাখতুনখোয়া জরুরি অবস্থা জারি করে কেন্দ্রীয় সরকার। সেইসঙ্গে জারি করা হয় গভর্নরের শাসন।
সোহাইল খান কারাগারে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) গুরুত্বপূর্ণ নেতা।
ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পিটিআইয়ের নেতা–কর্মীরা পাখতুনখাওয়া প্রদেশ থেকে সোহাইল খানের নেতৃত্বেই ৪ অক্টোবর রাজধানী ইসলামাবাদ অভিমুখী লংমার্চ শুরু করেন। যদিও লংমার্চটি এখনো খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশেই অবস্থান করছে।
খাইবার পাখতুনখাওয়ায় গভর্নরের শাসন জারির ফলে পিটিআই সরকারের কার্যক্রম কার্যত স্থগিত হয়ে পড়েছে। তবে দলটির দাবি, জরুরি অবস্থা বা গভর্নরের শাসন জারি করে প্রদেশটির কোনো সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়।
রোববার কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় দেয়া এক বিবৃতিতে পিটিআই চেয়ারম্যান গহর আলী বলেন, তার দল এ পদক্ষেপ পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করছে। জনগণের অধিকার ও গণতান্ত্রিক নীতিকে ক্ষুণ্ন করে এমন কোনো পদক্ষেপ সহ্য করা হবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি।
পিটিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাবন্দী। কয়েকটি মামলায় তাকে সাজা দেয়া হয়েছে। কারাগারে থাকলেও পাকিস্তানজুড়ে ইমরানের ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে।