
শনিবার পর্যন্ত বন্ধ থাকছে রিয়াদ বিমানবন্দর, বহু ফ্লাইট বাতিল
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৩

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে সিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার নেতৃত্বে কয়েকজন কর্মী যন্তর মন্তরে ঢুকে পড়ে। ছবি: সংগৃহীত
ভারতের রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ-সামবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়ার এক দিন পরই সেখানে ঢুকে বিক্ষোভ করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে সিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার নেতৃত্বে কয়েকজন কর্মী লোহার ফটক ও পুলিশের ব্যারিকেড টপকে সেখানে প্রবেশ করেন।
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিক্ষোভের একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। ভিডিওতে দলীয় পতাকা হাতে নেতাকর্মীদের ফটক টপকে যন্তর মন্তরে প্রবেশ করতে দেখা যায়। এ সময় তারা ‘ভারত মাতা কি জয়’ ও ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেন। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের বাধা দিলে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরে বিক্ষোভকারীদের আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ।
যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদ জানিয়ে দীপকে বলেন, ‘আপনারা প্রতিবাদকে তালিকা থেকে বাদ দিতে পারবেন না।’ তিনি আরও বলেন, যন্তর মন্তরকে নির্ধারিত বিক্ষোভস্থল হিসেবে বাতিল করলেই আন্দোলন থেমে যাবে—এমন ধারণা ভুল। বরং এখন দেশের বিভিন্ন জায়গায় নতুন নতুন ‘যন্তর মন্তর’ গড়ে উঠবে।
সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। এর পরিবর্তে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজনের জন্য নতুন করে তিনটি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। জায়গাগুলো হলো রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান ও পূর্ব দিল্লির সিবিডি ময়দান।
ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে বিতর্কিত এসআইআর প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ভারতে বেশ কিছুদিন ধরে আন্দোলন চলছে। জেন-জি নেতৃত্বাধীন ককরোচ জনতা পার্টি তথা সিজেপির সঙ্গে এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছে বিরোধী দল ও ছাত্র সংগঠনগুলো।
গত ১০ অক্টোবর থেকে যন্তর মন্তরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে দিল্লি পুলিশ। বিক্ষোভকারীদের সেখানে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। গত তিনদিন রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে হাজারো মানুষকে আটক করে দিল্লি পুলিশ।
সূত্র: এনডিটিভি