
ইউপি নির্বাচন: আচরণবিধি লঙ্ঘনে প্রার্থিতা বাতিল, সর্বোচ্চ শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড

হিলি রেলওয়ে স্টেশন। ছবি: সময় সংবাদ
দিনাজপুরের হিলি রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রাবিরতির অনুমোদন পেয়েছে নীলসাগর এক্সপ্রেস ও চিলাহাটি এক্সপ্রেস। দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের এ সিদ্ধান্তে খুশি স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও যাত্রীরা। ট্রেন দুটি হিলি স্টেশনে যাত্রাবিরতি দিলে রাজধানী ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত আরও সহজ হবে। পাশাপাশি হিলি স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্টকেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্যেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত ২৮ অক্টোবর রেলপথ মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে যাত্রীদের চাহিদা ও রেলের রাজস্ব আদায়ের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ট্রেন দুটি যাত্রাবিরতির অনুমোদনের কথা জানানো হয়। এ সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত সীমান্তবর্তী এ এলাকার মানুষের যাতায়াতের ভোগান্তি কমার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক ও বাংলাহিলি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান বলেন, হিলি স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের জন্য ট্রেন দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবসায়ীদের যাতায়াত সহজ হলে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য আরও গতিশীল হবে। বিশেষ করে ব্যবসায়িক প্রয়োজনে ঢাকায় যাতায়াতের ক্ষেত্রে সময় ও ভোগান্তি কমবে।
স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন বলেন, হিলি স্টেশনে দুটি ট্রেনের যাত্রাবিরতির অনুমোদনের খবরটি সত্যিই আনন্দের। এর আগে ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছি। তবে তাতে কোনো সুফল পাইনি। দীর্ঘদিন পর হলেও এমন খবর অত্যন্ত আনন্দের।
হিলি স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে রেল যোগাযোগের ক্ষেত্রে নানা ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে এ এলাকার মানুষকে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর হিলি স্থলবন্দরের সড়ক সম্প্রসারণের কাজও এগিয়ে চলছে। এর মধ্যে দুটি ট্রেনের যাত্রাবিরতির অনুমোদন স্থানীয়দের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ট্রেন দুটি নিয়মিত যাত্রাবিরতি শুরু করলে হিলি ও আশপাশের এলাকার মানুষের যাতায়াত আরও সহজ হবে। একই সঙ্গে চাকরিপ্রত্যাশী এবং চিকিৎসাসেবা নিতে ঢাকায় যাতায়াতকারী মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তিও অনেকটা কমবে।