
গাজীপুরে যুবদলের সংঘর্ষ, সময় টিভির চিত্রসাংবাদিকের ওপর হামলা
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৯:২১

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী নতুন এই ট্রেনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সড়ক রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ছবি: সংগৃহীত
রাজধানী ঢাকা থেকে পর্যটন নগরী কক্সবাজার রুটে ভ্রমণপিপাসু যাত্রীদের জন্য দারুণ সুখবর। মাত্র ৬৮৫ টাকা ভাড়ায় এখন ঢাকা থেকে সরাসরি ট্রেনে কক্সবাজার ভ্রমণ করা যাবে। যাত্রীদের ব্যাপক চাহিদার কথা বিবেচনায় নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ‘মহানগর এক্সপ্রেস’ নামে চালু হওয়া ট্রেনে সর্বনিম্ন এ ভাড়ায় চলাচল করা যাবে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী নতুন এই ট্রেনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রেলপথমন্ত্রী ভাড়ার বিস্তারিত তুলে ধরে জানান, কম খরচে যাতায়াত করতে ইচ্ছুক যাত্রীদের জন্য সাধারণ শোভন চেয়ারের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ৬৮৫ টাকা। অন্যদিকে যারা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আরামদায়ক পরিবেশে ভ্রমণ করতে চান, তাদের জন্য এসি চেয়ারের ভাড়া পড়বে প্রায় ১ হাজার ৩১১ টাকা। নতুন এই ট্রেনটিতে আনুমানিক ৭০৬টি আসন রয়েছে। ফলে যাত্রীরা নিজেদের সামর্থ্য ও পছন্দ অনুযায়ী আসন নির্বাচন করে স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করতে পারবেন।
ঢাকা-কক্সবাজার রুটে টিকিটের ব্যাপক চাহিদার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, লোকোমোটিভ (ইঞ্জিন) ও কোচের স্বল্পতার কারণে এতোদিন পর্যাপ্ত ট্রেন চালানো সম্ভব হয়নি। যাত্রীদের সুবিধার্থেই মহানগর প্রভাতী চালু করা হলো।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে এই রুটে তিন জোড়া ট্রেন চললেও পর্যায়ক্রমে তা সাত জোড়া পর্যন্ত উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এটি বাস্তবায়িত হলে যাত্রীদের ভ্রমণের বিকল্প যেমন বাড়বে, তেমনি রেলপথে যাতায়াত আরও সহজ হবে।
রেল খাতের সার্বিক উন্নয়নের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশে মানসম্মত রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। এরই অংশ হিসেবে নতুন লোকোমোটিভ ও কোচ সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া রেল যোগাযোগকে আরও আধুনিক ও যাত্রীবান্ধব করতে নারায়ণগঞ্জ থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর বিষয়েও নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রকল্পটি ইতোমধ্যে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদন পেয়েছে বলেও জানান তিনি।
উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে কমিউটার ও আন্তঃনগর ট্রেন চলাচলে নতুন মাত্রা যুক্ত হবে এবং দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।