
বরিশালে মুমূর্ষু রোগীর জীবন বাঁচাতে নিজেই রক্ত দিলেন চিকিৎসক
প্রতিবেদক, যশোর
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ২০:১১

যশোরের অভয়নগরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতনের শিকার ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষক আত্মগোপনে রয়েছেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার বাহিরঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম ইমরান হোসেন। তিনি উপজেলার বুইকারা গ্রামের মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে এবং ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
নির্যাতনের শিকার স্কুলছাত্রীর বাবা জানান, সোমবার স্কুল চলাকালে দুপুরে টিফিনের সময় তার মেয়ে শৌচাগারে যায়। এ সময় শিক্ষক ইমরান হোসেন শৌচাগারে ঢুকে মেয়েটির মুখ চেপে ধরে তাকে ধর্ষণ করে। এতে শিশুটি রক্তাক্ত জখম হয়। ঘটনাটি কাউকে জানালে মেরে ফেলার হুমকি দেয়ায় ভয়ে সে আর ক্লাসে না গিয়ে বাড়িতে চলে যায়। পরদিন মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে শিশুটি স্কুলে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তার মাকে বিষয়টি খুলে বলে। পরে তার জখম দেখে স্বজনরা দ্রুত পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাড়িতে যান। পরে তারা শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এরপর তারা সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে গেলে বিক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা প্রতিষ্ঠানটি ঘিরে ফেলে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়।
অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নূরুজ্জামান জানান, একজন নারী পুলিশ সদস্য ভুক্তভোগী শিশুটিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছেন। এ ঘটনায় ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে শিক্ষক ইমরান হোসেনকে আসামি করে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান চলছে।