
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজে ন্যাশনাল সায়েন্স কার্নিভালের উদ্বোধন

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজে ন্যাশনাল সায়েন্স কার্নিভাল উদ্বোধন
বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজে ন্যাশনাল সায়েন্স কার্নিভালের উদ্বোধনী আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে এই কার্নিভাল শুরু হয়।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) অতিরিক্ত মহাপরিচালক এবং কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মমতাজুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজ্ঞান উৎসব উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজের অধ্যক্ষ লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তাজুল ইসলাম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, “বিজ্ঞান উৎসব শিক্ষার্থীদের মধ্যে গবেষণামনস্কতা ও গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। একই সঙ্গে এটি তাদের সামাজিক সচেতনতা, সৃজনশীলতা ও উপস্থাপনার সক্ষমতা বাড়ায়। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পাঠ্যপুস্তকের জ্ঞানকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করার সুযোগ পায় এবং নিজেদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি নতুন কিছু উদ্ভাবনে উৎসাহিত হয়।”
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, “তোমাদের মতো বিজ্ঞানমনস্ক ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আজকের আয়োজন প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। আমি আশাবাদী, তোমরাই একদিন আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তোমাদের মতো ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের হাত ধরেই জ্ঞান-বিজ্ঞানে দেশ প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাচ্ছে। এ অগ্রযাত্রার অন্যতম চালিকাশক্তি আমাদের নতুন প্রজন্ম। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চা ছড়িয়ে দেওয়া, সৃজনশীল চিন্তার বিকাশ ঘটানো এবং উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডে উৎসাহ জোগানোই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।”
এ বছরের বিজ্ঞান উৎসবে দেশের স্বনামধন্য ১৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে প্রায় ৩০০টি বিজ্ঞানভিত্তিক প্রকল্প প্রদর্শিত হচ্ছে।
উৎসবে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, দেয়ালপত্রিকা, প্রকল্প উপস্থাপন, উপস্থিত বক্তৃতা, অ্যানালিটিক্যাল কুইজ, গল্পলিখন ও কম্পিউটার গেমিংসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও সৃজনশীল কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়েছে।
এছাড়া জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের উদ্যোগে একটি ফোর-ডি মুভি বাস ও একটি মিউজিয়াম বাসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য ভ্রাম্যমাণ বিজ্ঞান প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এসব আয়োজন শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি হাতে-কলমে শেখার সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।