
আলজেরিয়ার সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতায় সমঝোতা
কাদির তালুকদার
প্রকাশ: বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০:৫২

সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া বাংলাদেশি নারী সুইট | ছবি: ইন্টারনেট
সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া বাংলাদেশি নারী সুইটি আক্তারের বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের নগর ছাওয়ালী গ্রামে। ৫ বোন আর বাবা-মায়ের অভাবের সংসারে সবার ছোট ছিলেন তিনি।
৪ বছর আগে ভাগ্য বদলের আশায়, ধারদেনা করে মেয়েকে সৌদি আরব পাঠান দিনমজুর বাবা ফজল মিয়া।
সৌদি আরব যাওয়ার পর প্রথম ৫ মাস বাড়িতে নিয়মিত টাকা পাঠাতেন সুইটি। তারপর হঠাৎ এক দিন ফোন করে জানান, তাকে কারাগারে নেওয়া হয়েছে।
সুইটি আরও বলেন, সেখানে কর্মরত অন্য নারীদের সঙ্গে ঝগড়ার জেরে, তাকে ফাঁসানো হয়েছে।
প্রায় এক বছর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার পর, সৌদি আরবের কারাগার থেকে নিয়মিত ফোনে কথা বলতেন সুইটি।
সবশেষ, ১৫ দিন আগেও সুইটি তার বাবার সঙ্গে কথা বলেন। সে সময় মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে কিছু বলেননি। বরং কয়েক মাসের মধ্যেই কারামুক্তির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন।
কিন্তু, সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে সুইটির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর পেয়ে পরিবারটি এখন শোকে স্তব্ধ। বাবা-মা পাগলপ্রায়। স্বজনদের কাছে সুইটি এখন কেবলই স্মৃতি। তাদের কান্নায় আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠছে। শোকস্তব্ধ স্বজনদের চোখে-মুখে অসংখ্য প্রশ্ন।
তাদের সম্মিলিত শোকের সামনে কোনো সান্ত্বনাই যথেষ্ট নয়। মেয়েকে তো হারিয়েছেনই, এখন তার লাশ কীভাবে দ্রুত দেশে ফেরানো যায়; ঘুরেফিরে সে দাবিই তুলছেন বাবা-মা।
এ ব্যাপারে জেলা জনশক্তি ও কর্মসংস্থানের সহকারী পরিচালক আনোয়ার হোসেন জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত। সুইটির লাশ দেশে ফেরাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।