
আটক বা গ্রেফতার নয়, আমাকে ‘অপহরণ’ করা হয়েছিল: ধ্রুব রাঠি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৫

অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মুক্তি দিয়েছেন আদালত। ছবি: সংগৃহীত
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মুক্তি দিয়েছেন আদালত। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে দিল্লিতে অবতরণের পর একটি উড়োজাহাজের ভেতর তাদের আটক করা হয়েছিল।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, রোববার সকালে দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট এলাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত তাদের মুক্তির নির্দেশ দেন।
ভোটার তালিকা সংশোধনের বিশেষ নিবিড় কর্মসূচি (এসআইআর)-এর সময় তালিকায় কারচুপিসহ নানা অভিযোগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের দ্বিতীয় দিনে এ ঘটনা ঘটল।
এর আগে জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে মুক্তি দিয়েছে দিল্লি পুল্লিশ। শনিবার যন্তর মন্তরে সিজেপির পরিকল্পিত বিক্ষোভের শুরুর আগেই গুরুগাঁওয়ের নিজ বাসা থেকে আটক হন ধ্রুব।
এদিকে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আজও দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) ও একাধিক ছাত্রসংগঠন। রোববার (১১ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় যন্তর মন্তরে এ কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
শনিবার ব্যাপক ধরপাকড়ের পরও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয় সিজেপির নেতারা। দলটি বলেছে, ভোট চুরি ও ক্ষমতাসীন বিজেপির সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগে জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত অথবা তাকে অপসারণ না করা পর্যন্ত প্রতিদিন বিক্ষোভ মিছিল করা হবে।
সিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা অজিঙ্কা শিন্ডে বলেন, সরকার হয়তো ভেবেছিল ধরপাকড়ের পর আমরা বাড়ি ফিরে যাব। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ’র এই ভয়ই প্রমাণ করে, লড়াইয়ের অর্ধেক আমরা জিতে গেছি।’
সূত্র: এনডিটিভি