
জাতীয় ইমাম সমিতির সভাপতি কাজী আবু হোরায়রা-মহাসচিব শাহ নজরুল
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৮:২

ফাইল ছবি
উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে প্রবারণা পূর্ণিমা পালন করছেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা। এ আয়োজনে ঢল নেমেছে বুদ্ধ ভক্তদের। গৌতম বুদ্ধের ধৈর্য্য, ত্যাগ আর পরোপকারের বাণী অন্তরে ধারণের ব্রত নিয়ে চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটিসহ বিভিন্ন জেলায় চলছে উদযাপন। হাজারো বাতি আর ফানুসের আলোয় সেজেছে বিহারগুলো। হিংসা বিদ্বেষ ত্যাগ করে বুদ্ধের বাণীকে ধারণ করে সম্প্রীতিময় সহবস্থানের প্রত্যাশা পুণ্যার্থীদের।
রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় জেলায় বিভিন্ন বৌদ্ধবিহারে ফুল ও বুদ্ধপূজা, পঞ্চশীল গ্রহণ, সংঘদান, অষ্টপরিষ্কার দান এবং ধর্মীয় দেশনা শ্রবণের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করা হয়।
আত্মশুদ্ধি ও অশুভকে বর্জন করে সত্য ও সুন্দরকে বরণ করে নিতে বিহারে বিহারে পুণ্যার্থীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে চলে প্রবারণা পূর্ণিমা উৎসব।
এদিন ভোর থেকেই চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ির বিহারে সাজ সাজ রব ছিলো। নানা রঙের পোশাকে ছিলো বৌদ্ধ পুণ্যার্থীদের আনাগোনা। প্রদীপ প্রজ্জলন করে নত শিরে বুদ্ধের কাছে আত্মসমার্পণ ছিল ভক্তদের। প্রার্থনা ছিল দেশ ও দশের মঙ্গল কামনায়। এছাড়াও ছিল বুদ্ধ স্নান, পঞ্চশীল গ্রহণ, অষ্টপরিষ্কার দানসহ নানা অনুষ্ঠানিকতা পালন।
ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি উৎসবকে ঘিরে রয়েছে রঙিন ফানুস উড়ানোসহ নানা আয়োজন। আষাঢ়ি পূর্ণিমা থেকে আশ্বিনী পূর্ণিমা তিথি পর্যন্ত তিনমাস বর্ষাবাস শেষে বৌদ্ধ সম্প্রদায় প্রবারণা পূর্ণিমা উৎসব উদযাপন করে থাকে।
তিন মাসের বর্ষাবাস শেষে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জন্য প্রবারণা পূর্ণিমা বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। এ পূর্ণিমার পরদিন থেকে বিভিন্ন বিহারে শুরু হবে মাসব্যাপী কঠিন চীবর দানোৎসব।
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে কঠিন চীবর দান অন্যতম শ্রেষ্ঠ দান হিসেবে বিবেচিত। দিনটি উপলক্ষে দেশ, জাতি ও সব প্রাণীর সুখ-শান্তি এবং মঙ্গল কামনা করেন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা।