
পাকিস্তানের ওয়ানডে দল থেকে বাদ সাইম আইয়ুব, ডাক পেলেন ফারহান
খেলা ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩

নতুন কুড়ি স্পোর্টসের ক্যাম্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের প্রথম পর্বের প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ৪০ জনের বাইরে থাকা বাকি প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকালে বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, প্রথম আসরে ১ লক্ষ ৬৮ হাজার অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের মধ্য থেকে ৩০৬ জন খেলোয়াড়কে নিয়ে ৪০ দিনব্যাপী ক্যাম্প পরিচালিত হলেও বিভিন্ন কারণে অনেকেই শেষ পর্যন্ত বিকেএসপিতে পৌঁছাতে বা সুযোগ পাননি। তবে তাদের মেধা ও পারফরম্যান্সকে টিকিয়ে রাখতে সরকার বিশেষ পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সসীমার পাশাপাশি ১৫, ১৬ বা ১৭ বছর বয়সী যেসব খেলোয়াড় বয়স বা অন্যান্য কারণে এই দফায় সুযোগ পায়নি, তাদেরকে জেলা ক্রীড়া সংস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন লিগে খেলানোর ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া আসছে ৫ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া দ্বিতীয় আসরে তারা আরও বড় পরিসরে ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে আবারও বিকেএসপিতে সুযোগ পাওয়ার ও নিজেদের প্রতিভা প্রমাণ করার পূর্ণ সুযোগ পাবে।
আমিনুল হক আরও বলেন, সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন ও পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রথম আসরে ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের নিয়ে এগিয়ে যাওয়া হলেও ১৫ বা ১৬ বছর বয়সি একটু বেশি বয়সের প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের ধরে রাখার পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে। এই লক্ষ্যে ‘নতুন কুঁড়ি’র দ্বিতীয় আসরে প্রায় ১৬ লক্ষ ২৩ হাজার ক্রীড়াবিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ১৪ লক্ষ ক্রীড়াবিদ ৪৫৯৯টি ইউনিয়নে দল গঠন করে পারফর্ম করবে।
তিনি আরও জানান, ১৫, ১৬ বা ১৭ বছর বয়সী এসব খেলোয়াড়কে সারা দেশের প্রতিটি জেলা ক্রীড়া সংস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন লিগে খেলানোর মধ্য দিয়ে ধরে রাখা হবে। সরকারের এই বহুমুখী পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা সব প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে তুলে আনা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আগামী ৫ নভেম্বর খুলনা জেলা স্টেডিয়াম থেকে বাংলাদেশের ৫০৩টি উপজেলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একযোগে দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করবেন বলেও উল্লেখ করেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল। তিনি জানান, এই আসরে খেলোয়াড়েরা ইউনিয়ন পর্যায় থেকে শুরু করে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত খেলোয়াড়দের পুনরায় বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে এবং সেখান থেকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের স্থায়ীভাবে বিকেএসপিতে ভর্তি করিয়ে তাদের পড়াশোনা ও খেলাধুলার সম্পূর্ণ দায়িত্ব সরকার বহন করবে।
উল্লেখ্য, প্রথম আসরে ১ লক্ষ ৬৮ হাজার অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ৩০৬ জন প্রতিভাবান খেলোয়াড় পাওয়া গেলেও বিভিন্ন কারণে অনেকেই বিকেএসপিতে পৌঁছাতে পারেননি। এমন খেলোয়াড়দের পরবর্তী আসরে তাদের পারফরম্যান্স প্রদর্শনের মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে আবারও অংশগ্রহণের সুযোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।