
সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে পল্লী বিদ্যুতের আগুনে পুড়ল ১৫টি বসতঘর
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১:১৫

ছবি: সংগৃহীত
কিশোরগঞ্জে ফুটবল খেলায় সৃষ্ট দ্বন্দ্ব থেকে দুই গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রাতের বেলা টর্চলাইট জ্বালিয়ে মারামারি করেছে লোকজন। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভৈরব উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের আতকাপাড়া গ্রাম এবং কুলিয়ারচর উপজেলার ছয়সূতি ইউনিয়নের ষোলরশি গ্রামের লোকজনের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। উভয় পক্ষের লোকজন ইটপাটকেল ও ছুরি-কাঁচি নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, এখন থেকে ১০-১২ দিন আগে আতকাপাড়া ও ষোলরশি গ্রামের যুবকদের মধ্যে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। ওই ম্যাচে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও দ্বন্দ্ব হয়। তবে গ্রামের মোড়ল-মাতবর বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।
তবে সোমবার বিষয়টি নিয়ে আবারও দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে দুই গ্রামের মানুষ। এদিন বিকেলে আতকাপাড়া গ্রামের মো. বাবুল মিয়ার ছেলে এসএসসি পরীক্ষার্থী মো. হেদায়েতুল্লাহ ছয়সূতি হাইস্কুলে টেস্ট পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ষোলরশি গ্রামের কয়েকজন যুবক তাকে মারধর করেন।
খবর ছড়িয়ে পড়লে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। সন্ধা ৭টার পর উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। দুই গ্রামের লোকজন ছুরি-কাঁচি ও ইটপাটকেল নিয়ে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায়।
খবর পেয়ে দুই থানা থেকেই পুলিশ আসে। পুলিশ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩ জন কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও ২ জন ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেয়। বাকিরা বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা নেয়।
এ বিষয়ে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভৈরব ও কুলিয়ারচর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। গ্রামের মোড়ল-মাতবরদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি শান্ত করা হয়।
এর আগে গত সপ্তাহে (২৪ অক্টোবর) কিশোরগঞ্জের ভৈরবে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অন্ধকারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন তারা। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন।