
খুলনায় রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে কালি, দেয়ালে রবীন্দ্রবিরোধী পোস্টার
মহানগর ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬, ১৬:৪৩

এবার শীতে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসতে পারে ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
হেমন্তের হালকা হিমেল বাতাসের সঙ্গেই প্রকৃতিতে বার্তা কড়া নাড়ছে শীতের। আর এবার এই শীতের অনুভূতি এবং এর মেজাজ কেমন হবে, তার তিন মাসের আগাম বার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর। আবহাওয়াবিদদের হিসাব অনুযায়ী, চলতি শীত মৌসুমে দেশজুড়ে ঘন কুয়াশার পাশাপাশি চার থেকে ছয়টি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে, যার মধ্যে একাধিক তীব্র রূপ নিতে পারে।
আবহাওয়া অধিদফতরের সম্প্রতি প্রকাশিত তিন মাসের (নভেম্বর ২০২৬ – জানুয়ারি ২০২৭) দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানানো হয়েছে। অধিদফতরের গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির নিয়মিত বৈঠকে দেশের প্রাপ্ত আবহাওয়া উপাত্ত, জলবায়ু মডেল ও উপগ্রহ তথ্য বিশ্লেষণ করে এই পূর্বাভাস তৈরি করা হয়।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, পুরো শীত মৌসুমে দেশে চার থেকে ছয়টি মৃদু (৮–১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে মাঝারি (৬–৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তবে এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ তীব্র রূপ নিতে পারে, যেগুলোতে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসতে পারে ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, শীতের এই সময়ে শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকা ও উত্তরাঞ্চলসহ দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। ক্ষেত্রবিশেষে ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যবধান কমে আসবে, যার ফলে কুয়াশাচ্ছন্ন দিনগুলোতে শীতের অনুভূতির তীব্রতাও বেড়ে যাবে।
তবে শৈত্যপ্রবাহ ও কুয়াশার দাপট থাকলেও সামগ্রিকভাবে এ সময়ে দিন ও রাতের গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিক অপেক্ষা কিছুটা বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে এক থেকে দুটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না আবহাওয়াবিদরা।
আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক ও বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান জানান, শীতে সার্বিক বৃষ্টিপাত প্রায় স্বাভাবিক থাকার সম্ভাবনাই বেশি। তবে ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসের শৈত্যপ্রবাহের সময়গুলোতে, বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে শীতের দাপট বেশ প্রকট হয়ে উঠতে পারে।