
ডিসেম্বরের মধ্যেই পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণ: মজুরি বোর্ড
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৫০

ফাইল ছবি
পদ্মা নদী থেকে অবৈধ ও অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, নদীভাঙন প্রতিরোধ এবং পদ্মা সেতু এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
বুধবার (৪ নভেম্বর) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
২৬ অক্টোবর পদ্মা নদী থেকে অবৈধ ও অপরিকল্পিত বালু উত্তোলন বন্ধ, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, নদীভাঙন প্রতিরোধ এবং পদ্মা সেতু ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়।
মানবাধিকার ও সমাজ উন্নয়ন সংস্থা-মওসুসের পক্ষে সংস্থার চেয়ারম্যান, আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী ড. মো. গোলাম রহমান ভূঁইয়া জনস্বার্থে এ রিট পিটিশন দাখিল করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, রিট পিটিশনে পদ্মা নদী থেকে অবৈধ ও অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনের ফলে নদীর প্রাকৃতিক গঠন, নদীতীরের স্থিতিশীলতা, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর সম্ভাব্য বিরূপ প্রভাব এবং পদ্মা সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তুলে ধরা হয়েছে।
রিটে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের আইনগত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে আইন লঙ্ঘনের মাধ্যমে বালু উত্তোলনের অভিযোগ তদন্ত, দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নদী ও পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন জানানো হয়েছে।
পদ্মা নদী বাংলাদেশের অর্থনীতি, পরিবেশ, কৃষি, মৎস্যসম্পদ ও জনজীবনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হলে নদী তীরবর্তী মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষিজমি এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। একইসঙ্গে পদ্মা সেতু ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোর নিরাপত্তা রক্ষায় বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন ও কার্যকর নজরদারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মানবাধিকার ও সমাজ উন্নয়ন সংস্থা-মওসুস মনে করে, প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা, পরিবেশগত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর ভূমিকা পালন করা জরুরি। জনস্বার্থে দায়ের করা এ রিটের মাধ্যমে পদ্মা নদী রক্ষায় আইনসম্মত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়টি আদালতের বিবেচনায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।