
পর্যটকে প্রাণ ফিরেছে সেন্টমার্টিনে, স্বস্তিতে দ্বীপবাসী
মহানগর ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১৯

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নিতে গিয়ে প্রাণ হারান বাংলাদেশের সাগর।
বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের রাশিয়ায় পাচার করে জোর করে যুদ্ধ চুক্তিতে সই করানোর প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ তদন্ত কমিশন। ভালো বেতনের চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ায় নিয়ে সামরিক চুক্তিতে সই করিয়ে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানোর অভিযোগও রয়েছে।
একই প্রতিবেদনে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলাকে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ বলেও উল্লেখ করেছে কমিশন।
চাকরির প্রলোভনে বিভিন্ন দেশ থেকে লোকজনকে নেয়া হয় রাশিয়ায়। এরপর কেড়ে নেয়া হয় পাসপোর্ট, কেড়ে নেয়া হয় স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ। রুশ ভাষায় লেখা সামরিক চুক্তিতে সই করতে বাধ্য করা হয় তাদের। জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন বলছে, বিভিন্ন দেশে সক্রিয় এজেন্ট ও সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে এসব নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নিয়োগের পর অনেককে সামান্য প্রশিক্ষণ দিয়ে, এমনকি প্রশিক্ষণ ছাড়াই, ইউক্রেনের যুদ্ধের সম্মুখসারিতে পাঠানো হয়। বিপজ্জনক দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রাণ গেছে অনেকের, আবার অনেকে হয়েছেন নিখোঁজ। কমিশন জানায়, বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের নাগরিককে এভাবে পাচার ও জোরপূর্বক রুশ বাহিনীতে নিয়োগের বিষয়ে জোরালো প্রমাণ পেয়েছে তারা। প্রতিবেদনে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোয় রাশিয়ার ধারাবাহিক হামলার ভয়াবহ প্রভাবও তুলে ধরা হয়েছে।
কমিশন বলছে, বেসামরিক মানুষের জীবনযাত্রার জন্য অপরিহার্য জ্বালানি স্থাপনায় জেনেশুনে হামলা চালানো হয়েছে। এতে যুদ্ধাপরাধের পাশাপাশি মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে তারা। একইসঙ্গে পাচারের শিকার ব্যক্তিদের রুশ বাহিনী থেকে অব্যাহতি দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে কমিশন।