
ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা: এমপি পুত্র মিন্টুর ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন
প্রকাশ: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১

মাথায় করে ধান নিয়ে যাচ্ছেন কৃষকরা। ছবি: সময় সংবাদ
হেমন্তের সকালে হালকা কুয়াশার চাদর ভেদ করে উঁকি দিচ্ছে লাল সূর্য। শিশিরভেজা ঘাস আর মাঠজুড়ে সোনালি ধানের সমারোহে বদলে গেছে মানিকগঞ্জের প্রকৃতি। ভোর থেকে হালকা শীতের অনুভূতি জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। অন্যদিকে পাকা ধানের মৌ মৌ গন্ধে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে কৃষকের মনে। মাঠে মাঠে ধান কাটা, মাড়াই ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
মানিকগঞ্জের ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, আমন ও আউশ ধানের পাকা শিষে সোনালি হয়ে উঠেছে বিস্তীর্ণ মাঠ। ভোরের কুয়াশা আর সকালের শিশিরে প্রকৃতিতে তৈরি হয়েছে অন্যরকম আবহ। রাতের শেষভাগ থেকে সকাল পর্যন্ত অনুভূত হচ্ছে হালকা শীত।
হেমন্তের পাকা ধান ঘরে তোলার পাশাপাশি কৃষকদের মনে এখন নতুন ধানের চাল দিয়ে পিঠাপুলির উৎসবের অপেক্ষা। ভালো ফলনের প্রত্যাশা আর নতুন ফসলের আনন্দে ব্যস্ত তারা।
কৃষক সিদ্দিকুর রহমান আরিফ এবার বেশ কয়েক বিঘা জমিতে রুপা জাতের ধান চাষ করেছেন। ফলন ভালো হওয়ায় শ্রমিক দিয়ে ধান কাটাচ্ছেন তিনি। নতুন ধান ঘরে তোলার পর আত্মীয়-স্বজনদের দাওয়াত করে পিঠাপুলির আয়োজন করার পরিকল্পনাও রয়েছে তার।
আরিফে বলেন, এখন হেমন্তকাল। আমরা আমন ধান কাটতে ব্যস্ত। রাতের শেষভাগ থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত হালকা শীত ও কুয়াশা থাকে। মনে হচ্ছে, দুই ঋতুর আবহ একসঙ্গে উপভোগ করছি।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মানিকগঞ্জের উপপরিচালক শাহজাহান সিরাজ বলেন, ধানের ফলন ঘিরে কৃষকদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস তৈরি হয়েছে। এই নতুন ধান দিয়েই হেমন্তের পিঠাপুলির উৎসবে মাতবেন তারা।
জেলায় ১৫ হাজার ৮৮৯ হেক্টর জমিতে ভাওয়াইলা, দীঘা ও ডাপো জাতের আমন ধানের চাষ হয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, এ ছাড়া ১৮ হাজার ৮৬২ হেক্টর জমিতে কালো মানিক জাতসহ বিভিন্ন জাতের আউশ ধান এবং ৪ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে রুপা জাতের ধানের আবাদ হয়েছে।